ঢাকা, বুধবার, ১৭ ফাল্গুন ১৪২৭, ০৩ মার্চ ২০২১, ১৮ রজব ১৪৪২

জাতীয়

‘সিলেট সফরে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত’

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৪৫ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৬, ২০২১
‘সিলেট সফরে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত’

ঢাকা: বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেল বলেছেন, বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর শহর সিলেট। এখানে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক আগের তুলনায় আরও বেশি সমৃদ্ধ।

সিলেট সফরে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

এতে উল্লেখ করা হয়, গত সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সিলেট সফর করেন জাভেদ প্যাটেল। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনে ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে যোগদানের পর এ প্রথম সিলেট সফর করেন তিনি। এ সফরে ডেপুটি হাইকমিশনার সিলেটের মেয়রসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বকে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আরও সমৃদ্ধ করার ওপর জোর দেন।

সফরের প্রথম দিন জাভেদ প্যাটেল সিলেট সিটি করপোরেশন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের জনগণের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সু-সম্পর্ক বিষয়ক আলোচনার পাশাপাশি তারা যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ সরকার, সিলেট সিটি করপোরেশন ও জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে সিলেট নগরের দারিদ্র্য দূরীকরণ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন। এ গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির আওতায় সিলেট সিটি করপোরেশনের ১১ হাজার মানুষ করোনা বিষয়ক সচেতনতা, পুষ্টি ও জীবিকার জন্য অনুদানসহ নগরের দারিদ্র দূরীকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন সহায়তা পাচ্ছেন। জাভেদ প্যাটেল সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এবং সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

সিলেট সফরে জাভেদ প্যাটেল ব্রিটিশ কাউন্সিলের স্থানীয় অফিস ও যুক্তরাজ্যের পরীক্ষা বিষয়ক প্রশাসনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। সফরের দ্বিতীয় দিন তিনি সিলেটের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র জাফলং ও খাদিমনগর চা বাগান পরিদর্শন করেন। এ সফরে তিনি তামাবিল সীমান্ত পোস্টের ইমিগ্রেশন এবং শুল্ক কর্মকর্তাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

সিলেট সফর শেষে ডেপুটি হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেল বলেন, এ শহরের সঙ্গে অনেক ব্রিটিশ-বাংলাদেশির প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রয়েছে। এখানে এসে সিলেটের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে। এ বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী পালনের পাশাপাশি আমি বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের ব্যতিক্রমী বন্ধন উদযাপনের আশা ব্যক্ত করছি।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪২ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৬, ২০২১
টিআর/আরবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa