ঢাকা, সোমবার, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৭ মে ২০২৪, ১৮ জিলকদ ১৪৪৫

রাজনীতি

ফখরুলদের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি পিছিয়ে ২৯ জানুয়ারি

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১০৪৬ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৪
ফখরুলদের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি পিছিয়ে ২৯ জানুয়ারি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গাড়ি পোড়ানো মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির ৪৬ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামী ২৯ জানুয়ারি পুনর্নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতাউল হকের আদালতে এ চার্জ শুনানির দিন ধার্য ছিল।

তবে হরতালের কারণ দেখিয়ে মামলাটির ৬ জন আসামি ছাড়া বাকি ৪০ জনই হাজির হননি। শুনানি পেছাতে সময়ের আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মেজবাহ।

শুনানি শেষে এ আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৯ জানুয়ারি অভিযোগ

২০১২ সালের ১০ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি ইন্সপেক্টর নুরুল আমিন এ চার্জশিট দাখিল করেন। দ্রুত বিচার আইনের ৪ ও ৫ ধারায় চার্জশিট দেওয়া হয়।

এ মামলায় ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

২০১২ সালের ২৯ এপ্রিল হরতাল চলাকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গাড়ি পোড়ানোর মামলার আসামিরা হলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. খোন্দকার মোশাররফ হোসেন, এমকে আনোয়ার, আ স ম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, স্বনির্ভর সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম ফজলুল হক মিলন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিবুন-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমীরুল ইসলাম খান আলীম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, ঢাকা মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মজনু, বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিবরহমান পার্থ, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলআহ্বায়ক ইয়াসিন আলী,  যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব,  জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিকশক্তির চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহবায়ক আ. মতিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামাল আনোয়ার আহমেদ লিটু, বিএনপি নেতা ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার আবুল বাসার, বিএনপি নেতা ও ৪০নং ওয়ার্ড কমিশনার আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা লুৎফর রহমান ওরফে এল রহমান, বিএনপির সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নবী সোলায়মান, ঢাকার খিলগাঁও থানা বিএনপির সভাপতি সাবেক কমিশনার ইউনুস মৃধা, তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ইসমাইল খান শাহীন, স্বেচ্ছাসেবক দল মোহাম্মদপুর থানা শাখার সভাপতি মান্নান হোসেন শাহীন, ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখার যুগ্ম-সম্পাদক ওবায়দুল হক নাসির ও ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী।

জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল হোসেন, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম বুলবুল ও সেক্রেটারি আব্দুল জব্বার জসিম মামলার শুরু থেকেই পলাতক।

বাংলাদেশ সময়: ১০৪৩ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৪

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।