কিন্তু বছরের অন্যান্য সময়ে অর্থাৎ কোন সিরিজ বা টুর্নামেন্ট না থাকলে কিউরেটররা ততটা তৎপর থাকেন না যতটা তাদের থাকা উচিৎ। এমনও দেখা যায় কোন টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে দলের অনুশীলন চলছে তখন মাঠ প্রস্তুত করতে পানি দিয়ে মাঠ ভিজিয়ে রাখছেন কিউরেটররা।
আর এতেই যত আপত্তি আইসিসির এই পিচ পরামর্শকের। মাঠের প্রস্তুতি একটি চলমান প্রক্রিয়া এমনটা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে আসলে নতুন কিছু করার নেই। সবাই বছরের পর বছর ধরে যা করছে তাই করার কথা বলছি। ম্যাচ খেলার চাহিদা অনুযায়ী মাঠ প্রস্তুত করা উচিত। দলের যদি ট্রেনিং থাকে তাহলে আপনি মাঠে পানি দিতে পারবেন না, কারণ এতে মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এখানে এটা পুরো মাঠের ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার, শুধু ম্যাচের জন্য একটি উইকেট প্রস্তুত করা নয়। একটি ম্যাচের জন্য মাঠ প্রস্তুত করা নয়, পুরো টুর্নামেন্টের জন্য মাঠ প্রস্তুত করা এবং বারো মাসের জন্য প্রস্তুত করা। ছয় সপ্তাহের জন্য, দীর্ঘসময়ের জন্য পরিকল্পনা করতে হবে। ’
মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) শের ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টার প্রাঙ্গনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অ্যাটকিনসন।
আইসিসি'র রুটিন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গতকাল সোমবার ঢাকা আসেন অ্যাটকিনসন। ঢাকায় এসে দেশের ভেন্যুগুলোর কিউরেটরদের নিয়ে মিরপুরে তিনদিনের কর্মশালায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এই পিচ পরামর্শক। কর্মশালার ফাঁকে সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শের ই বাংলার উইকেটও পরিদর্শন করেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়ঃ ১৭০৩ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৪, ২০১৮
এইচএল/এমকেএম