ঢাকা, রবিবার, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯, ০৩ জুলাই ২০২২, ০২ জিলহজ ১৪৪৩

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যুবলীগ নেতার সহায়তায় মাথা গোঁজার ঠাঁই পেল ৫ পরিবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২১৪৫ ঘণ্টা, মে ১৪, ২০২২
যুবলীগ নেতার সহায়তায় মাথা গোঁজার ঠাঁই পেল ৫ পরিবার

চট্টগ্রাম: মোহাম্মদ শফি থাকেন নগরের পাচঁলাইশ থানার শুলকবহর এলাকায় একটি জরাজীর্ণ কুড়ে ঘরে। কখনও চিন্তাও করেননি ঘুমাবেন পাকা ঘরে।

কিন্তু এক যুবলীগ নেতার সাহায্যে ভিটেই উঠেছে পাকা ঘর। স্বাচ্ছন্দ ফিরেছে শফির জীবনে।  

জহির ব্রাদার্স আল মাদানী রোড়ের বাসিন্দা। পাকা ঘরে ঘুমাবেন; এটা তাঁর কল্পনারও অতীত ছিল। কিন্তু ঘটনা তা-ই ঘটেছে। তাঁর ঘর ধোয়ামোছা ও রং করার কাজও শেষ হয়েছে। তার কল্পনারও বাস্তবই হয়েছে। তিনি বর্তমানে পাকা ঘরই বসবাস করছেন।  

জমি আছে, ঘর নেই-এমন মানুষদের আধা পাকা ঘরই তৈরি করে দিয়েছেন যুবলীগ নেতা দিদারুল আলম দিদার। যুবলীগের আশ্রয়ণ কর্মসূচির অংশ হিসাবে নগরের বিভিন্নস্থানে ৫টি পাকা ঘর করে দিয়েছেন তিনি। ইতোমধ্যে এই প্রক্রিয়ায় দুই পরিবার ঘর পেয়েছেন। বাকি ৩টির কাজও চলমান রয়েছে।  

জানা গেছে, ‘মুজিব বর্ষে একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর যুবলীগের পক্ষ থেকে ঘর করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রস্তাবিত নকশায় এই ঘর নির্মাণ হয়েছে, যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলার উপযোগী করে। তিন কক্ষ বিশিষ্ট এই ঘরে রয়েছে সু পরিসর বারান্দা, রান্নাঘর, ওয়াশরুম আর সেফটি ট্যাংকও।  

ঘর পাওয়া মোহাম্মদ শফি বাংলানিউজকে বলেন, আমার এখন ৬৪ বছর বয়স। বিয়ে করিনি, ভাগনে ও ভাগনী নিয়ে বসবাস করি। ইলেকট্রিক্যালের কাজ করে সংসার চালাই। কোনো রকম বেড়া দিয়ে ঘর তৈরি করে থাকলেও পাকা ঘরে ঘুমানোর স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যেত। এ জীবনে হয়তো তা আর পূরণ হতো না। এখন স্থায়ী একটি ঘর পেয়েছি। ইট দিয়ে সেমি পাকা ঘর করে দিয়েছে যুবলীগ নেতা দিদার ভাই। এখন নতুন ঘর তৈরি করে দেওয়াতে আমার ভাগনে-ভাগনীরা সুন্দরভাবে পড়ালেখা করতে পারছে।  

ঘর পাওয়া আরেকজন নুর জাহান বেগম। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, পরিবারের সাত সদস্য নিয়ে বসবাস করতাম, সেখানে বৃষ্টি হলেই পানি জমে যেত। ঘর করার সামর্থ্য ছিল না। যুবলীগ নেতা দিদার ভাই ঘর তৈরি করে দিয়েছে। এখন ছেলে ও মেয়েদের নিয়ে শান্তিতে ঘুমাতে পারছি।  

গরীব অসহায়দের ঘর করে দেওয়ার বিষয়ে মহানগর ছাত্রলীগের স্টিয়ারিং কমিটির সাবেক সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য দিদারুল আলম দিদার বাংলানিউজকে বলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক মহোদয় চেয়েছিলেন গৃহহীন মানুষ পাশে দাঁড়াতে। চেয়ারম্যান মহোদয় আমার এলাকায় অসচ্ছল গরীব অসহায়দের ঘর তৈরি করে দেওয়ার জন্য আমাদের অনুরোধ জানান। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে দুইটার ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে।  

বাংলাদেশ সময়: ২১২১ ঘণ্টা, মে ১৪, ২০২২
এমআই/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa