ঢাকা: দেশব্যাপী শুরু হয়েছে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ। চলবে সোমবার পর্যন্ত।
মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস মিলনায়তনে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহের উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হয়, কৃমিনাশক ট্যাবলেট ভরা পেটে খেতে হবে। এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।
অধিদপ্তরের তথ্য মতে, একাদশ রাউন্ড কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহে ওষুধ সেবনকারী শিশুর কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ কোটি ৬০ লাখ। গত এপ্রিলে কৃমিনাশক ওষুধ সেবনের অর্জিত হার ৯৯ দশমিক ২৪ শতাংশ।
দেশের ১ লাখ ৬ হাজার ৩০টি প্রাথমিক পর্যায়ের বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই কর্মসূচির আওতাভুক্ত।
কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক বলেন, কৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন, সমাজকল্যাণ, মাদ্রাসা বোর্ড, পৌরসভা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কাউট, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করে একযোগে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, এই ওষুধের কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। ওষুধ সেবনে সামান্য শারীরিক অস্বস্তি যেমন, বমি বমি ভাব বা পেট ব্যথা হলে, শিশুদের আশ্বস্ত করতে হবে। বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া নিরাপদ পানি বা খাবার স্যালাইন খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। অথবা নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরামর্শের জন্য নিয়ে যেতে হবে।
এ ওষুধ ভর পেটে সেবনের পরামর্শ দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. ক্যাপ্টেন (অব.) মজিবুর রহমান ফকির।
সম্মানিত অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব কাজী আখতার হোসেন, স্বাস্থ্য সচিব এম এম নিয়াজউদ্দিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেশিয় প্রতিনিধি ডা. তুষার ই আই ফার্নেন্দু।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক বেনজির আহমেদ।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৫৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ০১, ২০১৩
এমএন/এএইচএস/বিএসকে