
ছবি:দেলোয়ার হোসেন বাদল/ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
নিয়াজ মোহাম্মদ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে: জেলখানাকে ভয় পান না উল্লেখ আওয়ামী লীগকে এর পরের পরিণতি ভেবে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।
মঙ্গলবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ২০ দলীয় জোট আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
দীর্ঘ পৌনে এক ঘণ্টাব্যাপী বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপার্সন এ সময় আওয়ামী লীগকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘ আওয়ামী লীগকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি জেলে যেতে ভয় পাই না। তবে পরের বিষয়টি ভেবে রাখবেন। আমাদের কাছে সব তথ্য আছে। কিভাবে বাঁচবেন? তাই জেলখানার ভয় দেখাবেন না।’
দেশে লুটপাট ও দুর্নীতির নানা চিত্র তুলে ধরে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এভাবে চলতে পারে না। এগুলোর বিহিত করতে হবে। এই আওয়ামী লীগের আমলে পিলখানায় ৫৮ জন অফিসারকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু সুষ্ঠু তদন্ত হয় নি, বিচার হয় নি। পিলখানায় এত কিছু হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সরকার প্রধান কিছু জানেন না। ঘটনার সময় তিনি বাড়ি বদল করেছিলেন, এর উদ্দেশ্য মানুষের বুঝতে বাকি থাকে না।’
খালেদা জিয়া বলেন, আলেমরা দাবি নিয়ে শাপলা চত্বরে গিয়েছিলো। তারা মুসলমান, ধর্মে বিশ্বাস করে। তাদের হাতে তসবী, জায়নামাজ ছিল। তারা বলেছিল, শফী সাহেব আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। কিন্তু শেষ রাতে এই আওয়ামী লীগ আলেমদের ওপর হামলা করে আলেম এতিমদের হত্যা করেছে। কোরআন শরীফ পুড়িয়ে বলেছে আলেমরা পুড়িয়েছে। যারা ইসলামে বিশ্বাস করে তারা কোনো দিন খারাপ কাজ করতে পারে না। কারণ তারা আল্লাহকে ভয় করে। হত্যার করে লাশ পর্যন্ত গুম করে দিয়েছে এই আওয়ামী লীগ।
তিনি বলেন, যার হাতে অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের, আলেমদের রক্ত তাদের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই।
আওয়ামী লীগের হাতে কোনো ধর্মই নিরাপদ নয় উল্লেখ করে খালেদা জিয়া আরও বলেন, ‘সময় আসবে তখন ভুলে যাবেন না। এদের হাতে আপনাদের রক্ত। শুধু আলেম বা মুসলমান না, কোনো মানুষই নিরাপদ না। চট্টগ্রামে বৌদ্ধ মূর্তি ভেঙে দিয়েছে। সারা দেশে হিন্দুদের মন্দির ভেঙে দিয়েছে। এ কারণে এ সরকারের ওপর সাধারণ মানুষের কোনো আস্থা নেই। এরা বেঈমান, মুনাফেক। এদের কাছে টাকা আর ক্ষমতাই বড়।
খালেদা জিয়া বলেন, মাহমুদুর রহমান সত্য কথা বলতো, তাই তাকে বন্দি করে রেখেছে, তার কাগজ ‘আমার দেশ’ বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ যেন তারা মানুষের কথা বলতে না পারে। এখন সম্প্রচার নীতি করছে সাংবাদিকদের ভয় দেখাতে। বিশিষ্ট নাগরিকরা সত্য কথা বলেন টিভি টক শোতে। ভয় দেখিয়ে তাও বন্ধ করতে চায় সরকার।
যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে খালেদা জিয়া বলেন,বিএনপির সঙ্গে আছে বলে এখন জামায়াতে ইসলাম খারাপ, স্বাধীনতা বিরোধী। কিন্তু এই জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছিল। তখন তারা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ছিল।
শেখ হাসিনা ৮৬ সালে এরশাদের সঙ্গে আতাঁত করেছেন উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘শেখ হাসিনা বলেছেন, তার দলের সবাই বিক্রি হতে পারে। কিন্তু শুধু তিনি বিক্রি হন না।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘কিন্তু আপনি তো ৮৬ সালে বহু টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়ে গিয়েছিলেন। তখন বিএনপি নির্বাচনে যায় নি। তিনিই বলেছিলেন এরশাদের অধীনে যারা নির্বাচনে যাবে তারা জাতীয় বেঈমান। অথচ তিনিই নির্বাচনে অংশ নেন।’
২০ দলীয় জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিএনপি জোট ভাঙবে না। ২০ দলীয় জোট এখনও শক্তিশালী আছে। যারা দেশপ্রেমিক তারা বিএনপির সঙ্গেই আছে-থাকবে।
এ সময় পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্দেশ্যে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা চাই পুলিশ তাদের দায়িত্ব নিরপেক্ষভাবে পালন করবে।পুলিশের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি তারা যেন সকলের সঙ্গে নিরপেক্ষ আচরণ করেন। ছাত্রলীগকে পাহারা দেওয়া আপনাদের কাজ না। আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ব্যাপারে খালেদা জিয়া বলেন, প্রতিটি জিনিসের দাম মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। প্রতিনিয়ত কর্মসংস্থান কমছে। পত্রিকায় এসেছে, এক মাসে ১৯ শতাংশ কর্মসংস্থান কমেছে। ৮২ ভাগ বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে। দেশে নতুন কোনো বিদেশি বিনিয়োগ আসছে না। কারণ দেশে অবৈধ সরকার।
বিচারবিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখতে আমাদের এখন প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ হওয়া। বিরোধীদলকে প্রতিরোধ করার জন্য বিচারকদের হাত বেঁধে দেওয়া হচ্ছে।
দেশের শিক্ষার মানের অবনতি প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, শিক্ষার উন্নয়নে এ সরকার অনেক দাবি করে। শিক্ষার যা উন্নতি হয়েছে আমাদের সময়। আমরা নকল বন্ধ করেছি। স্কলারশীপ দিয়েছি।
তিনি বলেন, এখন শিক্ষার্থীরা শুধু পাশ করে যায়। দেশে এখন মেধাশূন্যতা দেখা দিয়েছে।এ ভাবে চললে কোনো প্রতিযোগিতাতেই তারা টিকতে পারবে না। দেশের মেধাকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে।
নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে এ সময় খালেদা জিয়া বলেন, ‘তোমাদের আন্দোলন করতে হবে। প্রতিবাদ করে দেশে সুশাসন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’
আওয়ামী লীগ লুটপাট করে দেশের বাইরে টাকা পাচার করেছে উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ বহু টাকা বিদেশে জমিয়েছে। তাদের কেউ দেশে থাকবে না। লুটপাট করে তারা দেশকে ফোকলা করে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ শেয়ার বাজার থেকে ১ লাখ কোটি টাকা লুট করেছে। ডেসটিনির টাকা পাচার করেছে। জনতা ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করেছে। অবৈধ অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন এটা সামান্য ব্যপার। কিন্তু এখন স্বীকার করেছেন যে, ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হয়ে গেছে। স্বীকার করেছেন যে ব্যবস্থাপনায় দলীয় পরিচয়ে লোক নিয়োগ করা ঠিক হয়নি।’
খালেদা জিয়া এ সময় বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী দেরিতে হলেও এই কথা স্বীকার করেছেন সেজন্য তাকে ধন্যবাদ। কারণ আওয়ামী লীগের কেউ সত্য কথা বলে না।’
তিনি বলেন, ‘ এ সরকার বিদ্যুত উৎপাদন বাড়াবে বলে কুইক রেন্টাল করেছে। ১৭ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে। কিন্তু বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়েনি। তারা দাবি করে দশ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা। কিন্তু উৎপাদন সাড়ে ছয় হাজার মেগাওয়াট। বিদ্যুতের অভাবে কলকারখানা বাসা বাড়িতে নতুন সংযোগ দিতে পারে না। কিন্তু দফায় দফায় দাম বাড়ায়।
তিনি বলেন, দেশে এখন সার উৎপাদন হয় না। সরকার বিদেশ থেকে সার আনে, কেননা এতে কমিশন পাওয়া যায়। কয়েকদিন আগে খবরে দেখলাম মসজিদ, এতিম খানা, মন্দিরের টাকা মেরে দিয়েছে আওয়ামী লীগের লোকজন।
এ সরকার টাকা দেখলে লোভ সামলাতে পারে না উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, এ সরকার মানুষের জন্য কাজ করে না, টাকা দেখলে নিজেদের লোভ সামলাতে পারে না। বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে কোটি কোটি টাকা নেয় কিন্তু কাজ করে না। রাস্তা করার নামে তারা কোটি কোটি টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোনো কাজ করছে না।
খালেদা জিয়া এ সময় বলেন, ‘হাঁটি হাঁটি খাই খাই, যা পাই তাই খাই।’
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের লোকজন খাল বিল পর্যন্ত ভরাট করে ফেলছে, বাড়ি ঘর দখল করে ফেলছে।কিন্তু তাদের কেউ কিছু বলছে না।
খালেদা জিয়া এ সময় আওয়ামী লীগকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এসব লুটপাটের জন্য জবাব দিতে হবে। কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’
খালেদা জিয়া তার নামে হওয়া মামলা প্রসঙ্গে বলেন, ওয়ান ইলেভেনের সময় হাসিনার নামে কত মামলা হয়েছিলো। আমাদের নামেও হয়েছে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর নিজের ও দলের নেতাদের মামলা তুলে নিয়েছে। আমাদের মামলা তোলে নি। এখন ভয় দেখায় গ্রেফতারের। কিন্তু আমি গ্রেফতারের ভয় পাই না। ওয়ান ইলেভেনের সময় তারা আমাকে দেশের বাইরে পাঠাতে চেয়েছিলো। কিন্তু আমি যাইনি। এ দেশের মাটি ও মানুষকে ছেড়ে আমি কোথাও যাবো না।
খালেদা জিয়া আরও বলেন, টিভিতে আমাদের কথা প্রচার পায় না। বিটিভি আওয়ামী লীগের টিভি। তাদের কথা ছাড়া প্রচার করে না।এখন বেসরকারি টিভিগুলোকেও আয়ত্বে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
বিচার বিভাগ স্বাধীন করার কথা বললেও স্বাধীন করা হয়নি। আজকে দেশে এক দলীয় শাসন কায়েম করেছে তারা। বিনা ভোটে নিবাচিত হয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। কিন্তু জনগণ তা মানবে না।
খালেদা জিয়া আরও বলেন, এ সরকার অনির্বাচিত সরকার, অবৈধ সরকার।
তিনি বলেন, ‘এ সরকার নিজেরাই সংবিধান লঙ্ঘন করে চলেছে। যার জন্য আজ দেশের আজ এ দুরাবস্থা। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি। প্রতিদিন খুন গুম রাহাজানি হচ্ছে।’ আপনারা দেখেছেন, ‘এ সরকার কিভাবে ৠাবকে অন্যায় অত্যাচারের কাজে ব্যবহার করেছে।’
তিনি বলেন, ‘ৠাব আমরা গঠন করেছিলাম সন্ত্রাস দমনের জন্য। সন্ত্রাস দমনও করেছিলাম। কিন্তু তাদের দিয়ে এ সরকার মানুষ ধরে নিয়ে হত্যা করে। এখনও পর্যন্ত আমাদের দলের ৩১০ জনকে হত্যা করেছে, ৩৬ জনকে গুম করেছে।’
তিনি এ সময় জনসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আপনারা ভোট দিয়েছিলেন কি দেননি?’ জনগণ এ সময় ‘না’, ‘না’ বলে জবাব দেন।
খালেদা জিয়া এ সময় বলেন, ‘তাহলে কি করে এই অনির্বাচিত সরকার সংসদে বসে থাকে। তারা কিভাবে লম্বা লম্বা কথা বলে আর আইন পাস করে।’
বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে মঞ্চে উপস্থিত হয়ে নিজের আসন গ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। বক্তব্য রাখা শুরু করেন বিকেল সোয়া ৫টায় । প্রায় ৪৫ মিনিট বক্তব্য রাখেন তিনি।
জনসভার সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম।
খালেদা বক্তব্যের আগে জনসভায় বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা।
জোট নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, খেলাফত মজলিশের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহম্মদ ইসহাক, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, জাগপার সভাপতি সফিউল আলম প্রধান, ইসলামী ঐক্যজোটের সভাপতি আব্দুল লতিফ নেজামী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, এনপিপির চেয়ারম্যান ডা. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এলডিপির মহাসচিব ডা. রেদওয়ান আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত আমিনী, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, বাংলাদেশ কল্যাণপার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাঈদ আহমেদ, ডিএল’র সাধারণ সম্পাদক সাঈফুদ্দিন মনি প্রমুখ।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, সালাহউদ্দীন আহমেদ, মোহম্মদ শাজাহান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তকদির হোসেন মুহম্মদ জসিম প্রমুখ।
এদিকে খালেদার আগমন উপলক্ষ্যে সাড়া পড়ে যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন সহ স্থানীয় ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের মাঝে। কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে সমাবেশের মূল ভেন্যু নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় এবং এর আশপাশের এলাকা।
খালেদার আগমন উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন উপজেলা এবং আশ-পাশের জেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আসেন নেতাকর্মীরা। সমাবেশস্থলের আশ-পাশের সড়ক ও অলি-গলিতে তোড়ন, ব্যানার, ফেস্টুন ও বেলুন উড়িয়ে খালেদা জিয়ার আগমনকে স্বাগত জানান নেতাকর্মীরা।
এছাড়া ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে রূপগঞ্জ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার যাত্রাপথে প্রিয় নেত্রী স্বাগত জানাতে মহাসড়কের দুই ধারে রং-বেরংয়ের ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন হাজার হাজার নেতাকর্মী। স্লোগানে-স্লোগানে ও ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে তারা স্বাগত জানান খালেদা জিয়াকে।
সন্ধ্যা ছয়টায় জনসভা শেষে সার্কিট হাউজে বিশ্রাম নিচ্ছেন খালেদা জিয়া। সেখান থেকে রাতেই ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১৮০১ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৪/আপডেট:১৮২৯ ঘণ্টা/আপডেট ১৯১৩
** ‘লুটপাটের জন্য কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে’
** ‘হাঁটি হাঁটি খাই খাই, যা পাই তাই খাই’
** গ্রেফতারে ভয় পাই না
** সাত খুনে কারা জড়িত, আ’লীগ নেত্রী সব জানেন
** দেশে কোনো নির্বাচিত সরকার নেই
** জনসভা মঞ্চে খালেদা জিয়া
** ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খালেদা জিয়া
** জনসভায় ইসলামী ঐক্যজোট ও শিবিরের দাপট
** বি.বাড়িয়া সফরে খালেদা,পথে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা
** খালেদাকে স্বাগত জানালো নারায়ণগঞ্জ বিএনপি
** ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পথে খালেদা
** সাড়ে ১১টায় রওনা দেবেন খালেদা
** খালেদা জিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাচ্ছেন মঙ্গলবার
** জেলার দ্বন্দ্বে জিতল পৌর বিএনপি
** খালেদার অপেক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া