বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার গয়ড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মশিয়ার রহমান উপজেলার ছোট কাকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গয়ড়া গ্রামের আলতাফ হোসেন খানের ছেলে।
আহত শিক্ষক মশিয়ার রহমান সাংবাদিকদের বলেন, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার ভাতিজা (ভাইয়ের ছেলে) হৃদয়কে গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আতাউল হকের নেতৃত্বে ইন্তাজ আলী, শুকুর আলী, মুন্তাজ আলীসহ ৬/৭ জন বেদম মারধর করে এবং তার কাছ থেকে এক লাখ টাকা ছিনতাই করে। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে চৌগাছা হাসপাতাল এবং পরে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় আমার ভাই জিয়াউর রহমান বাদী হয়ে চৌগাছা থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই থেকে আসামিরা মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য আমাদের পরিবারকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে।
একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে আমি ১০ হাজার ৬১৫ টাকা নিয়ে গ্রামেই (আগে থেকে বায়না দিয়ে রাখা) একটি ছাগল কিনতে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে স্থানীয় রেজাউলের চায়ের দোকানের পাশে পৌঁছালে সাবেক মেম্বর আতাউল হকের নেতৃত্বে গ্রামের মুন্তাজ আলী, মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে শুকুর আলী, ইসলামের ছেলে মজনু, মংলার ছেলে রোস্তম, মজনুর ছেলে শামীম, শামসুলের ছেলে শামনুর আমার পথরোধ করে মামলা তুলে নিতে বলে। রাজি না হওয়ায় এক পর্যায়ে তারা আমাকে পাশের একটি মেহগনি গাছে বেঁধে নির্যাতন শুরু করে।
তিনি বলেন, এসময় খবর পেয়ে আমার স্ত্রী রুমা আক্তার, ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা মোমেনা খাতুন ও গ্রামের আব্দুল জলিল খানের ছেলে ফিরোজ খান এগিয়ে এলে তাদেরও বেদম মারধর করে আহত করে। এক পর্যায়ে একটি মোটরসাইকেলের শব্দে পুলিশ এসেছে মনে করে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চৌগাছা থানার সেকেন্ড অফিসার এসএম আকিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, ঘটনাটি লোক মারফত শুনেছি। তবে এ বিষয়ে কেউ এখনো থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৪০ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৬, ২০১৭
এএ