বুধবার (৬ মে) এই দু’জনকে রাজধানীর রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
এর আগে একই মামলায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর ও লেখক মুশতাক আহমেদকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
র্যাব জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেশবিরোধী পোস্ট ও করোনার সময়ে ত্রাণ বিতরণ, সরকার গৃহীত অন্য ব্যবস্থা সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে চারজনকে আটক করে র্যাব-৩। পরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় তাদের রমনা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
৪ মে থেকে ৬ মে ধারাবাহিকভাবে রাজধানীর কাকরাইল, লালমাটিয়া, বাড্ডা ও বনানী এলাকা থেকে র্যাবের হাতে আটক চারজন হলেন- আহমেদ কবির কিশোর, মুশতাক আহমেদ, দিদারুল ইসলাম ও মিনহাজ মান্নান।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি সুজয় সরকার বাংলানিউজকে জানান, তাদের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামালার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা অব্যাহত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামশেদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলার বাকি সাত আসামি হলেন- প্রবাসী সাংবাদিক তাসনিম খলিল ও সাহেদ আলম, সায়ের জুলকারনাইন, আশিক ইমরান, ফিলিপ শুমাখার, স্বপন ওয়াহিদ, ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীন।
বুধবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা বেগম গ্রেফতার কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর ও লেখক মুশতাক আহমেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কার্টুনিস্ট কিশোর তার ‘আমি কিশোর’ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেশের করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন সমালোচনামূলক কার্টুন-পোস্টার পোস্ট করতেন। মুশতাক তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কিশোরের সেসব পোস্টের কয়েকটি শেয়ার করেছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ২১০৫ ঘণ্টা, মে ০৬, ২০২০
পিএম/এএ