বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের জাতীয় সম্মেলন এবার সাদামাটাভাবে পালন করার দিকনির্দেশনা রয়েছে।
সাবেক এ সংসদ সদস্য বলেন, এবারের জাতীয় সম্মেলনে ৫০ হাজারের বেশি সংখ্যক কাউন্সিলর ও ডেলিগেট অংশগ্রহণ করবে। অত্যন্ত সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে তাদের সম্মেলনে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
‘ইতোমধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় ৫০ শতাংশ হয়ে গেছে। মূল কাজ- প্যান্ডেলের কাঠামো তৈরি হয়ে গিয়েছে। এখন অত্যন্ত দ্রুত গতিতে অন্যান্য কাজ এগিয়ে যাবে। সম্মেলনে নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি প্রায় হাজারখানেক স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য থাকবে। ’
আওয়ামী লীগের সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটি কবে নাগাদ দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে নানক বলেন, আমরা আশা করি শুদ্ধি অভিযান সামনে রেখে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগেও অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য একটি নতুন কমিটি উপহার দেবেন।
‘অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনগুলোর ক্ষেত্রে কেবলমাত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ফুলের মতো পবিত্র হলেই চলবে না। কেবল তাদের দুজনকে নিয়েই সংগঠন নয়, সমগ্র কাঠামো মিলেই সংগঠন। ফলে বাকিদেরও সৎ হতে হবে। প্রতিটি অঙ্গ সংগঠনের নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অত্যন্ত কঠিন ভাবে বলা হয়েছে, কোনোভাবেই যেন প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিতরা কমিটিতে স্থান না পায়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকেই এমন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই অনুসারে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। ’
এসময় জাহাঙ্গীর কবির নানকের সঙ্গে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম, সংসদ সদস্য মির্জা আজমসহ সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৩২৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ৪, ২০১৯
আরকেআর/এইচজে