ঢাকা, রবিবার, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৪ শাবান ১৪৪৫

বইমেলা

হালুম-টুকটুকির সঙ্গে নাচে-গানে মেতেছে ক্ষুদে বইপ্রেমীরা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৫৮ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৩
হালুম-টুকটুকির সঙ্গে নাচে-গানে মেতেছে ক্ষুদে বইপ্রেমীরা

ঢাকা: সিসিমপুরের জনপ্রিয় হালুম, টুকটুকি, শিকুসহ যে চরিত্রগুলো শিশুরা টেলিভিশনের পর্দায় দেখে অভ্যস্ত সেই চরিত্রগুলো বাস্তবে দেখতে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠেছে শিশুরা। হালুম, টুকটুকির সঙ্গে নাচে-গানে বইমেলার স্মৃতি রাঙাচ্ছে ক্ষুদে বইপ্রেমীরা।

শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ছুটির দিনে শিশুদের বিশেষ আয়োজন শিশু প্রহর উপলক্ষে বইমেলার দ্বার উন্মোচন হয় বেলা ১১টায়। চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। মেলা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মেলায় ঢুকতে ভিড় জমাতে দেখা যায় নানা বয়সী ক্ষুদে বইপ্রেমীদের। কেউ এসেছে মায়ের সঙ্গে, কেউবা বাবা-মার সঙ্গে কিংবা অনেকে দল বেঁধে এসেছে স্কুলের সহপাঠীদের সঙ্গে। বই দেখা ও কেনার পাশাপাশি প্রিয় চরিত্রগুলোর সঙ্গে মজা করার সুযোগ হাতছাড়া করছেন না কেউই।

সায়মন ও মিতু দুই ভাই-বোনকে নিয়ে বইমেলায় এসেছেন তাদের বাবা-মা। তাদের মা শারমিন আক্তার জানান, শিশুদের নিয়ে বইমেলায় আসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ বয়সে শিশুদের বইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে পারলে বইয়ের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে এবং বই পড়তে উৎসাহিত হবে। আমার বড় ছেলের জন্য বই কিনেছি। সে এখন দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। মেয়ে এখনও বই পড়ার মতো বড় হয়নি।

বাবার সঙ্গে বইমেলায় এসেছে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী হিমি। কী কী বই কিনেছে জানতে চাইলে সে জানায়, তিনটা গল্পের বই কিনেছি। শিয়ালপরী, বোকা বোকা বাঘ, আর ভূতের ভয়।  
হিমির বাবা শরীফুল হক সন্তানকে নিয়ে বইমেলায় আসার গুরুত্ব উল্লেখ করে বলেন, প্রত্যেক বাবা-মায়ের উচিত তাদের সন্তানকে নিয়ে বইমেলায় আসা। আমরা ছেলে-মেয়েদের আবদারে কত অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে টাকা নষ্ট করি। অথচ বইমেলায় এসে যদি শিশুর পছন্দমতো তাদের কয়েকটা বই কিনে দিতে পারি তাহলে তারা সেটা আনন্দের সঙ্গে পড়বে। এতে তাদের মানসিক বিকাশ যেমন হবে পাশাপাশি বাড়বে চিন্তা শক্তির পরিধি।

দেখতে দেখতে অমর একুশে বইমেলা শেষার্ধে চলে এসেছে। তাইতো খালি হাতে ফেরত যাচ্ছেন না কোনো দর্শনার্থী। বিক্রেতারাও জানাচ্ছেন বই বিক্রির সংখ্যা বেড়েছে।  

দ্বৈতা প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মী মো. রাসেল বলেন, আমাদের স্টলটা মূলত শিশুদের বইয়ের। শিশুদের কেন্দ্র করে আমরা আমাদের স্টলে বই সাজিয়েছি। প্রতি সপ্তাহে দুটা শিশু প্রহরে আমাদের বিক্রি বাড়ে।

কালান্তর প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মী মো. ইয়াছিন বলেন, শিশু প্রহর উপলক্ষে বিক্রি যথেষ্ট ভালো। আমরা সব সময় শুক্র ও শনিবারের শিশু প্রহরে ভালো বিক্রির প্রত্যাশা করি।  

বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৭ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৩
এসকেবি/আরবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।