ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আষাঢ় ১৪২৯, ০১ জুলাই ২০২২, ০০ জিলহজ ১৪৪৩

জলবায়ু ও পরিবেশ

ট্রাফিক সেন্স না থাকায় প্লেনের ধাক্কায় মরে কাউবার্ড

পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪১৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৯, ২০১৫
ট্রাফিক সেন্স না থাকায় প্লেনের ধাক্কায় মরে কাউবার্ড

ঢাকা: প্রতিকূল পরিবেশে জরুরি ভিত্তিতে যখন উড়োজাহাজ নেমে আসে তখন ধাক্কায় কেন পাখি মারা যায়, এটা দীর্ঘ দিনের রহস্য ছিল। যদিও চাইলেই তারা উড়ে ভিন্ন পথে চলে যেতে পারে।

দীর্ঘ দিন গবেষণার পরে বিজ্ঞানীরা বলছেন, পাখিরা উড়োজাহাজের গতি নির্ণয় করতে পারে না।

সম্প্রতি একটি জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ থেকে বোঝা যায় উড়োজাহাজটির পথ থেকে ফিরে আস‍ার হিসাব করতে খুবই অল্প সময় পায় পাখিরা। অর্থাৎ, ঘণ্টায় ৭৫ মাইলের (১২০ কিলোমিটার) চেয়ে বেশি গতি হলে তারা হিসাব করতে পারে না উড়োজাহাজটি তার দিকে আসছে।

ফেডারেল অ্যাভিয়েশন ‍অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) তথ্য মতে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর কমপক্ষে ৯ হাজার পাখি উড়োজাহাজের ধাক্কায় মারা যায়। যদিও মূল সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি, কারণ পাখি মৃত্যুর বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় নি।

বিষয়টি কেবল প্রাণী হত্যাতেই সীমাবদ্ধ নয়, এই পাখিরা উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বন্ধের কারণও হতে পারে।

ওহিও ’তে অবস্থিত ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার্স ন্যাশনাল ওয়াইল্ডলা‌ইফ রিসার্চ সেন্টার ও ইন্ডিয়ানাতে অবস্থিত ইন্ডিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড পারডু ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক ব্যাখ্যা করেন কেন পাখিরা দুর্ঘটনার শিকার হয়।

তারা একটি চলচ্চিত্র প্রদর্শন করেন, যেখানে একটি উড়োজাহাজ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৩৬০ কিলোমিটার গতিতে আসছে। ব্রাউন-হেডেড কাউবার্ড তার শরীরের অবস্থান ও উড়োজাহাজের গতি নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হয়। যখন এটি ৯৮ ফুট দূরে তখনও তারা উড়তে থাকে।

তাদের মতে, শিকারি পাখি যখন তাদের আক্রমণ করে তখন একইভাবে গতি হিসেব করতে না পারায় তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না ঠিক কখন উড়ে যেতে হবে তাদের।
তবে, অন্য প্রজাতির পাখির ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই কি না তা নিশ্চিত হতে আরো গবেষণার দরকার বলে মনে করছেন গবেষকরা।

বাংলাদেশ সময়: ১৪১৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৯, ২০১৫

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa