ঢাকা, রবিবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ১৯ মে ২০২৪, ১০ জিলকদ ১৪৪৫

শিক্ষা

তাপপ্রবাহ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ৭ দিন 

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪৩৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ২০, ২০২৪
তাপপ্রবাহ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ৭ দিন 

ঢাকা: চলমান তাপদাহে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিবেচনায় আগামী ২১ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সাতদিন দেশের সব স্কুল-কলেজ-মাদরাসা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।  

ঈদের টানা ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগের দিন শনিবার (২০ এপ্রিল) পৃথকভাবে সিদ্ধান্ত জানায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন। তিনি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, চলমান তাপদাহে শিশু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিবেচনায় আগামী ২১ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের বিদ্যালয়সমূহ ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারগুলো বন্ধ থাকবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে চলমান তাপদাহ ও আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা জারির পরিপ্রেক্ষিতে মাউশি অধিদপ্তরের আওতাধীন সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্বনির্ধারিত ছুটি শেষে ২১ এপ্রিল খোলার পরিবর্তে আগামী ২৮ এপ্রিল যথারীতি খুলবে।

মাউশির মহাপরিচালকের রুটিন দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক শাহেদুল খবীর চৌধুরী এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতির অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাউশির ছুটির মতো তাদেরও সে কয়দিন ছুটি।

দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহের তীব্রতা বাড়তে পারে এবং অব্যাহত থাকতে পারে৷ তাই তিন দিনের জন্য হিট অ্যালার্ট দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক সতর্কবার্তায় জানিয়েছেন, দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ ১৯ এপ্রিল থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এছাড়া জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বাড়তে পারে।

তাপপ্রবাহের তীব্রতার কারণে সাতদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবিও জানিয়েছিল অভিভাবক ঐক্য ফোরাম।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ২০, ২০২৪
এমআইএইচ/এসআইএ/এসএএইচ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।