সিলেট বোর্ডের অধীনে চার জেলার মধ্যে পাসের হারসহ বিভিন্ন সূচকে তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে সিলেট জেলা। বোর্ডের মধ্যে সিলেট জেলায় পাসের হার ৭৬.১৩ শতাংশ, সুনামগঞ্জে ৭৩.৩০ শতাংশ, হবিগঞ্জে ৬৯.১৩ শতাংশ ও মৌলভীবাজারে ৬৫.৮৩ শতাংশ।
জেলা ওয়ারি পাসের হারের সূচকে মেয়েরা এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৪ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে।
রোববার (২৩ জুলাই) সকালে সোয়া ১১টায় সিলেট শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তবে পাসের হার বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫। এবছর মাত্র ৭শ’ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এরমধ্যে ছেলে ৪৫৫ ও মেয়ে ২৪৫ জন।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এবছর মোট ৬৫ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে ৪৬ হাজার ৭৯৭জন। এদের মধ্যে ছেলে ২১ হাজার ৩০ ও মেয়ে ২৫ হাজার ৭৬৭ জন।
বোর্ডের মধ্যে সিলেট জেলায় ২৬ হাজার ২৭৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে ২০ হাজার ৫ জন। এরমধ্যে ছেলে ৯ হাজার ৩৪৩ এবং মেয়ে ১০ হাজার ৬৬২ জন। মোট পাসের হার ৭৬.১৩ শতাংশ। এই জেলায় পাশের হারে ছেলেদের পাশের হার ৭৪.৩ শতাংশ ও মেয়ে ৭৮.৮ শতাংশ। পাসকৃতদের মধ্যে ৬০৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। যার মধ্যে ছেলে ৪০৮ এবং মেয়ে ১ ৯৯ জন।
হবিগঞ্জ জেলায় ১২ হাজার ৬০৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে ৮ হাজার ৭১৬ জন। এরমধ্যে ছেলে ৩ হাজার ৭৬৮ এবং মেয়ে ৪ হাজার ৯৪৮ জন। মোট পাসের হার ৬৯.১৩ শতাংশ। এই জেলায়ও পাসের হারে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে। ছেলেদের পাসের হার ৬৭.৫৯ ও মেয়ে ৭০.৩৫ শতাংশ। পাশকৃতদের মধ্যে মাত্র ১০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ছেলে ৫ এবং মেয়ে ৫ জন।
মৌলভীবাজার জেলায় ১৪ হাজার ২৯০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে ৯ হাজার ৪০৭ জন। এরমধ্যে ছেলে ৪ হাজার ১০৩ এবং মেয়ে ৫ হাজার ৩০৪ জন। মোট পাসের হার ৬৫. ৮৩ শতাংশ। এই জেলায়ও পাসের হারে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা কিছুটা এগিয়ে। ছেলেদের পাসের হার ৬৪.২০ ও মেয়ে ৬৭.১৫ শতাংশ। পাসকৃতদের মধ্যে ৭৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। যার মধ্যে ছেলে ৩৭ এবং মেয়ে ৩৬ জন।
সুনামগঞ্জ জেলায় ১১ হাজার ৮২৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে ৮ হাজার ৬৬৯ জন। এরমধ্যে ছেলে ৩ হাজার ৮১৬ এবং মেয়ে ৪ হাজার ৮৫৩ জন। জেলায় মোট পাসের হার ৭৩. ৩০ শতাংশ। এই জেলায় পাশের হারে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে। পাসের হার ৭২.১২ ও মেয়ে ৭৪.২৬ শতাংশ। পাসকৃতদের মধ্যে ৫ জন করে ছেলে-মেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৪০৪ ঘণ্টা, জুলাই ২৩, ২০১৭
এনইউ/বিএস