আন্দোলনের ৬ষ্ঠ দিন রোববার (৩১ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের প্রধান ফটক থেকে এ মিছিল বের করে তারা।
এসময় ভিসির পদত্যাগের দাবি সংবলিত বিভিন্ন প্লাকার্ড নিয়ে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিলটি নিয়ে পুনরায় একাডেমিক ভবনের সামনে এসে শেষ করে।
এর আগে সকাল ৯টা থেকে একাডেমিক ভবনের নিচতলায় অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা ভিসির পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, শুধু দুঃখ প্রকাশ করলে চলবে না, আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়া এবং বক্তব্য প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। ক্ষমা না চাইলে উপাচার্যের পদত্যাগ করতে বাধ্য করাবেন বলেও হুমকি দেন।
শিক্ষার্থীরা আরো জানান, সোমবার (১ এপ্রিল) সকালে তারা তাদের দাবি দাওয়া সংবলিত একটি স্মারকলিপি বিভাগীয় কমিশনার বরাবর দেবেন। পরে একটি সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা দেবেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রতিবাদ করায় ভিসি ড. এস এম ইমামুল হক শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে গালি দেন। এর প্রতিবাদে গত ২৬ মার্চ থেকে তারা লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। মাঝে ২৮ মার্চ থেকে প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দিলেও তা প্রত্যাক্ষাণ করে আন্দোলনকারীরা। তারা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করে হলেই অবস্থান করছেন।
এরই ধারবাহিকতায় শুক্রবার দিবাগত রাতে দুঃখ প্রকাশ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম ইমানুল হকের পক্ষে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে তাতেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।
দুঃখ প্রকাশ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের দেয়া বক্তব্য ও আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। উপাচার্য তার বক্তব্যের মাধ্যমে মিথ্যাচার করেছে বলে অভিযোগ তাদের।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৫৭ ঘণ্টা, মার্চ ৩১, ২০১৯
এমএস/আরবি/