নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে নিজ দলের ফুটবলার হেনি এরমোসোকে চুমু দিয়েছেন স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি লুইস রুবিয়ালেস। যার ফলে তাকে ৯০ দিনের জন্য সাময়িক নিষিদ্ধ করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা।
ইংল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। তাই দেশটিতে আনন্দের রেশ বয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু রুবিয়ালেসের চুমু-কাণ্ডে ঘটনা পুরোপুরি ভিন্নদিকে মোড় নিয়েছে। তাতে বেশ ক্ষুব্ধই হয়েছেন ইনিয়েস্তা।
স্পেন পুরুষ দলের বিশ্বকাপজয়ী এই মিডফিল্ডার বলেন, 'জাতীয় দলের ফুটবলাররা এই মুহূর্তে কেমন অনুভব করছেন সেটা আমি কল্পনাও করতে পারি না। যেই দুর্দান্ত টুর্নামেন্ট কাটিয়েছে তারা এবং আমাদের যেই অসাধারণ ফুটবল শিখিয়েছে সেটা নিয়ে তারা কোনো কথা বলছে না। '
'যার পরিবর্তে এমন এক প্রেসিডেন্টকে নিয়ে কথা হচ্ছে, যিনি তার অবস্থান আঁকড়ে ধরে আছেন, যিনি নিজের অগ্রহণযোগ্য আচরণকে স্বীকার পর্যন্ত করেননি। বিশ্বজুড়ে আমাদের দেশ ও আমাদের ফুটবলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন তিনি। এটা লজ্জাজনক যে এতো বছরের প্রচেষ্টায় এতোসব ফুটবলারের বানানো একটি সুন্দর গল্প মাটি হয়ে গেছে। এই সপ্তাহে যা হয়েছে, তাতে একজন মানুষ, তিন মেয়ের বাবা, একজন স্বামী ও একজন ফুটবলার হিসেবে আমি আমার দুঃখ প্রকাশ করতে চাই। '
গত ২০ আগস্ট পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে গিয়ে স্পেন ফরোয়ার্ড এরমোসোর ঠোঁটে চুমু দিয়ে বসেন রুবিয়ালেস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হয়ে যায়।
তবে চুমু-কাণ্ডে পদত্যাগের জোরালো দাবি উঠলেও রুবিয়ালেস চেয়ার ছাড়তে নারাজ। তিনি বলেছিলেন, ‘দুজনের সম্মতিতে ঘটা একটি ঘটনা কি আমাকে এখান থেকে সরিয়ে দেবে? আমি পদত্যাগ করব না। আমি শেষ পর্যন্ত লড়ব। ’ কিন্তু এরমোসো জানান তাকে জোর করেই চুমু দেওয়া যায়। তিনি কোনো সম্মতি দেননি
এদিকে, রুবিয়ালেস ফেডারেশন সভাপতি হিসেবে থাকলে স্পেনের হয়ে না খেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলাররা।
বাংলাদেশ সময়: ২০৩৪ ঘণ্টা, আগস্ট ২৭, ২০২৩
এএইচএস