ঢাকা, সোমবার, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

আরব-আমিরাত

আবুধাবিতে বাংলাদেশ সমিতির উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

মাহাফুজুল হক চৌধুরী, আরব আমিরাত থেকে | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪৪৫ ঘণ্টা, আগস্ট ২১, ২০২১
আবুধাবিতে বাংলাদেশ সমিতির উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ সমিতি ইউএইর উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে।  

শুক্রবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় আবুধাবিতে বাংলাদেশ সমিতির কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত আবু জাফর, বিশেষ অতিথি ছিলেন মিশন উপ প্রধান মিজানুর রহমান, আবদুল আলিম মিয়া, (কাউন্সিলর শ্রম), মোছাম্মৎ লুৎফুর নাহার নাজিম (কাউন্সিলর শ্রম), মো. সাঈফুল ইসলাম (প্রথম সচিব পাসপোর্ট ও ভিসা), এস এম মাজহারুল ইসলাম (৩য় সচিব), আবুধাবি বাংলা স্কুলের সাবেক অধ্যক্ষ এবং বর্তমান উপদেষ্টা মীর আনিসুল হাসান, বাংলাদেশ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী আশিষ বড়ুয়া, বাংলাদেশ সমিতির সদস্য শওকত আকবর, সরোয়ার, প্রিয়াঙ্কা শারমিন, মাহবুব খন্দকার, জাকির হোসেন জসিম, মঈনুদ্দীন, শামসুল হক মিজান, তপন সরকার, আমিরুল হাসান প্রমুখ।

সংযুক্ত আরব আমিরাত বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন মমতাজুল ইসলাম। কোরআন তেলোয়াত শেষে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু জাফর বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন সারা বাংলাদেশের পিতা, যিনি সবসময় চেয়েছেন বাংলার মানুষ যেন তিন বেলা মাছে-ভাতে খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। বঙ্গবন্ধু বাংলার মানুষকে স্বাধীনতা এনে দেওয়ার জন্য নিজের জীবন দিয়েছেন। বাংলাদেশ যখন পাকিস্তান থেকে বিজয় লাভ করে তখনো তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দিয়েছেন যেন সম্মিলিতভাবে রাষ্ট্র উন্নয়নের কাজ করেন।  
দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়ন চায়লে সব দেশকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু কোনো দেশের সঙ্গে শত্রুতা থাকুক সেটা কখনো চাননি। তিনি চেয়েছেন সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ যেন এগিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাধারণ কেটে খাওয়া মানুষের নেতা, তিনি ছিলেন গরিব দুঃখী মানুষের  বন্ধু। বঙ্গবন্ধু শিশুদের অনেক ভালোবাসতেন, শিশুদের উন্নয়নের জন্য বঙ্গবন্ধু অনেক কর্মসূচি চালু করেছিলেন। আজকে বঙ্গবন্ধুর নাম বিক্রি করে নামে বেনামে অনেক সংগঠন গড়ে উঠেছে, যারা বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসেন না তাদের মুখেও আজ বঙ্গবন্ধু গুণগান, মানুষ আজ পদ পদবির জন্য বঙ্গবন্ধুর নামকে ব্যবহার করছে।  

অনুষ্ঠানে মিশন উপ প্রধান মিজানুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে প্রবাসীদের জন্য তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আমিরাত প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাস সবসময় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৫ ঘণ্টা, আগস্ট ২১, ২০২১
আরআইএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa