ঢাকা, শুক্রবার, ৬ বৈশাখ ১৪৩১, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৯ শাওয়াল ১৪৪৫

তথ্যপ্রযুক্তি

সিম নিবন্ধন শুরু, ফেব্রুয়ারি থেকে হ্যান্ডসেট

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫১৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৫
সিম নিবন্ধন শুরু, ফেব্রুয়ারি থেকে হ্যান্ডসেট

ঢাকা: বিজয় দিবসে মোবাইল সিমকার্ড নিবন্ধনে আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) পদ্ধতির উদ্বোধন করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
 
বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কার্যালয়ে সিম নিবন্ধনে আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) পদ্ধতির উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।


 
এসময় তারানা হালিম জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মোবাইল ফোন (হ্যান্ডসেট) নিবন্ধনের জন্যও নির্দেশনা দেবে বিটিআরসি।
 
ভুয়া তথ্য দিয়ে সিম কিনে অপরাধ সংগঠন থেকে বিরত এবং গ্রাহকদের তথ্য সংগ্রহের জন্য দায়িত্ব নেওয়ার পর সিম পুনঃনিবন্ধনের উদ্যোগ নেন তারানা হালিম।
 
গত ২১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় নিজের নামে একটি সিমের নিবন্ধনের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির উদ্বোধন করেন। নভেম্বর থেকে মোবাইল অপারেটরগুলো পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্যক্রম শুরু করে।
 
পুরান সিম আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে নিবন্ধন করতে সক্ষম হবো জানিয়ে তারানা হালিম বলেন, যেহেতু এটা চলমান প্রক্রিয়া। এপ্রিলের পরেও অনেক সিম নিবন্ধন হবে, সেটাও একই প্রক্রিয়ায় হবে।
 
তিনি বলেন, নিবন্ধনে ত্রুটিগুলো শুধরে নিয়ে শুরু কাজ করেছি, কাল (বৃহস্পতিবার) থেকে কার্যক্রম শুরু হবে।
 
ফেব্রুয়ারি থেকে গ্রাহকের হাতের মোবাইল ফোনটিও রেজিস্ট্রেশন করতে হবে জানিয়ে তারানা হালিম বলেন, এজন্য বিটিআরসি নির্দেশনা দেবে। তাহলে একজন নাগরিকের সম্পূর্ণ ডিজিটাল আইডেন্টিটি হবে। যে সিম এবং মোবাইল ব্যবহার করেন তা গ্রাহকের নামে হতে হবে। এভাবে তাকে (গ্রাহক) নিরাপত্তা দিতে চাই।   
 
অনেক প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির এ যাত্রা শুরুর পেছনে সবাইকে ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, পরস্পরের প্রতি বৈরিতা না দেখিয়ে, কোনো কিছু স্বেচ্ছাচারীভাবে না চাপিয়ে দিলে যদি সেই সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে পারি তাহলে একই স্থানে উঠে একই পথে যাত্রা শুরু করা যায়।
 
এজন্য কিছুটা চাপ প্রয়োগ করার মতো করেই ডেটলাইন দেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যখন লক্ষ্য সামনে থাকে সে স্পিডে দৌড়ানো সুবিধা হয়। বিটিআরসি, অপারেটর সবাই দৌড়ানের চেষ্টা করেছে।
 
তারানা হালিম বলেন, টু-জি সম্প্রসারণ, থ্রি-জি শক্তিশালী করে ফোর-জিতে যাচ্ছি, ৯৯ শতাংশ এলাকা মোবাইল নেটওয়ার্কের মধ্যে নিয়ে এসেছি। দায়িত্ব নেওয়ার পর দেখলাম এ ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনাটাও খুব জরুরি। প্রতিটি কাজ ডেটলাইনের মধ্যে করতে সমর্থ হয়েছি।
 
উন্নত দেশে যে পদ্ধতি সে পথে যাত্রা শুরু করা হয়েছে জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, আঙুলের ছাপ যে সমস্যা তা ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করবো।
 
বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের প্রধান নির্বাহী এসময় উপস্থিত ছিলেন।
 
গ্রামীণফোনের সিইও রাজিব শেঠি, রবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও সুপুন বীরাসিংহে, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) গিয়াস উদ্দিনসহ বাংলালিংক, এয়ারটেল, সিটিসেলের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  
 
বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ‘মাইল ফলক’ উল্লেখ করে তারা বলেন, এটা গ্রাহক এবং বাংলাদেশের নাগরিকের নিরাপত্তার জন্য সহায়ক হবে।
 
বিটিআরসি’র সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস ডিভিশনের ডিরেক্টর জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী সিম নিবন্ধনের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৫১২ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৫
এমআইএইচ/জেডএস

** ফেব্রুয়ারি থেকে মোবাইল ফোন নিবন্ধন

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।