গাজায় মানবিক সহায়তা হিসেবে বিমান থেকে খাবার ফেলা শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার তিনটি সামরিক বিমানের মাধ্যমে ৩৮ হাজারেরও বেশি খাবারের প্যাকেট প্যারাসুটের সাহায্যে নিচে ফেলা হয়।
জর্ডানের বিমান বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত এ অভিযানে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ঘোষণার পর প্রথমবারের মতো এ কার্যক্রম শুরু হলো।
বৃহস্পতিবার ত্রাণের জন্য অপেক্ষমাণ জনতার ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ১১২ জন নিহত হওয়ার পর বাইডেন সাহায্য বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।
গাজায় ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির জন্য একটি চুক্তির কাঠামো তৈরি হয়েছে বলে এক শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তার কথায় এয়ারড্রপ এলো।
মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শনিবার সি-১৩০ পরিবহন বিমানগুলো ভূখণ্ডের উপকূলে ৩৮ হাজারেরও বেশি খাবারের প্যাকেট ফেলেছে।
যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, মিশর এবং জর্ডানসহ অন্যান্য দেশগুলো এর আগে গাজায় ত্রাণ পাঠিয়েছে, তবে এটিই প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বলেছেন বৃহস্পতিবারের মর্মান্তিক মানবিক পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবাহ সম্প্রসারণ ও টেকসই করার গুরুত্ব উঠে এসে এসেছে। তবে সাহায্য সংস্থাগুলো বলেছে আকাশ থেকে সাহায্য বিতরণের পদ্ধতি একটি অকার্যকর উপায়।
বাস্তুচ্যুত গাজার বাসিন্দা মেধাত তাহের বলেছেন, এ ধরনের পদ্ধতি প্রয়োজনের খুবই অপ্রতুল।
এদিকে শনিবার বাইডেন প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ইসরায়েল একটি নতুন যুদ্ধবিরতির চুক্তি মোটামুটি মেনে নিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, আজ থেকে গাজায় ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি হবে যদি হামাস দুর্বল জিম্মি (...) অসুস্থ, আহত, বয়স্ক এবং নারী জিম্মিদের মুক্তি দিতে সম্মত হয়।
কয়েক মাস ধরেই গাজায় আরো সাহায্যের অনুমতি দিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু রাফাহ ক্রসিং দিয়ে ত্রাণ সরবরাহকারী ট্রাক চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল।
সূত্র: বিবিসি
বাংলাদেশ সময়: ১২৫৬ ঘণ্টা, মার্চ ৩, ২০২৪
জেএইচ