ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

আইন ও আদালত

বাগেরহাটে হত্যা মামলায় ২ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯৪৯ ঘণ্টা, অক্টোবর ২০, ২০১৬
বাগেরহাটে হত্যা মামলায় ২ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

বাগেরহাট: বাগেরহাটে ইছুব আলী নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে দুই ভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

এছাড়‍াও এ মামলার অপর চার আসামিকে এক বছর করে কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বাগেরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ দণ্ডাদেশ দেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত দুই ভাই হলেন- বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বাঁধাল নিকারীপাড়া গ্রামের সেরজন আলী সরদারের ছেলে আক্কাস আলী সরদার ও আশ্রাব আলী সরদার।

অপর চারজন হলেন- সেরজন আলী সরদারের ছেলে নুরুল ইসলাম, আক্কাস আলীর স্ত্রী রহিমা বেগম, আশ্রাব আলীর ছেলে কামরুল আলী ও কামরুলের স্ত্রী কামরুন্নেছা।

এদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন দুই নারী আসামি। তারা হলেন- ফাতেমা বেগম ও মঞ্জিলা বেগম।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, দণ্ডাদেশপ্রাপ্তদের সঙ্গে একই গ্রামের শাজাহান হাওলাদারের জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এর জের ধরে ২০০২ সালের ২০ ডিসেম্বর সকালে আসামিরা সাবল, লোহার রড এবং লাঠি দিয়ে পিটিয়ে শাজাহানের বাবা ইছুব আলীকে হত্যা করে।

এ ঘটনায় শাজাহান বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে ওই দিন কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কচুয়া থানার তৎকালিন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রেজাউল ইসলাম তদন্ত শেষে ২০০৩ সালের ১৫ মে ওই আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বৃহস্পতিবার এ রায় দেন আদালত।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি (পিপি) কাজী মনোয়ার হোসেন বাংলানিউজকে জানান, দণ্ডপ্রাপ্তরা মামলা চলাকালে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০৮ ঘণ্টা, অক্টোবর ২০, ২০১৬
এজি/আরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa