ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৩ মে ২০২৪, ১৪ জিলকদ ১৪৪৫

আইন ও আদালত

ঝিনাইদহের বখাটেদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৫১৯ ঘণ্টা, নভেম্বর ২২, ২০১৬
ঝিনাইদহের বখাটেদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশ

মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নলভাঙ্গা গ্রামের বর্গাচাষি শাহানূর বিশ্বাসের ওপর হামলাকারী বখাটেদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কারাবন্দি (গ্রেফতার) করে  রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ঢাকা: মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নলভাঙ্গা গ্রামের বর্গাচাষি শাহানূর বিশ্বাসের ওপর হামলাকারী বখাটেদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কারাবন্দি (গ্রেফতার) করে  রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বখাটেদের হামলায় দুই পা হারানো শাহানূর বর্তমানে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন।

মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) ঝিনাইদহের পুলিশ সুপারকে বখাটেদের গ্রেফতারের আদেশ দেন বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র হাইকোর্ট বেঞ্চ।

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ দৃষ্টিগোচর হওয়ায় স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন আদালত।

২৭ নভেম্বরের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের আদেশে বিবাদী করা হয়েছে, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, কালীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি)।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।

মঙ্গলবার প্রকাশিত ওই পত্রিকার সংবাদে বলা হয়েছে, ‘শাহানূরের আত্মীয় মো. ইয়াকুব আলী ঝিনাইদহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলায় অভিযোগ করেন, মেয়েকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্ত্যক্ত করতো আসামিরা। এর প্রতিবাদ করেন বাবা শাহানূর। এ কারণে গত ১৬ অক্টোবর বখাটেরা শাহানূরকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। তারা প্রথমে লোহার শাবল দিয়ে পিটিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় শাহানূরকে। পরে হাতুড়ি ও ছেনি দিয়ে হাঁটুতে আঘাত করে। দলের অন্যরা লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পেটায়। এতে শাহানূরের মারাত্মক রক্তক্ষরণ হয়’।

‘শাহানূরের দু’টি পা হাঁটুর ওপর থেকে কেটে ফেলতে হয়েছে। তার পায়ে এ পর্যন্ত মোট চারবার অস্ত্রোপচার হয়েছে, ২০ ব্যাগ রক্ত দিতে হয়েছে’।
 
‘ইয়াকুব সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। ১৬ জনকে আসামি করে দ্বিতীয় মামলাটি করেন শাহানূরের ভাই মহিনূর। দুই আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও বাকিরা পলাতক’।

‘ওই ঘটনায় প্রথমে মামলা নিতে চায়নি পুলিশ। পরে চেষ্টা-তদবির করে মামলা হলেও এখন আর আসামি ধরছে না পুলিশ। উল্টো শাহানূরের স্বজনদের হুমকি দিচ্ছে আসামিরা’।

বাংলাদেশ সময়: ১১১৬ ঘণ্টা, নভেম্বর ২২, ২০১৬
ইএস/এএসআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।