ঢাকা, শুক্রবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩১, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৯ শাওয়াল ১৪৪৫

আইন ও আদালত

এমপি শওকত চৌধুরীর জামিন বাতিলে হাইকোর্টের রুল

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৯০৫ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৪, ২০১৬
এমপি শওকত চৌধুরীর জামিন বাতিলে হাইকোর্টের রুল

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে এলসি খুলে শত কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. শওকত চৌধুরীর জামিন কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

ঢাকা: বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে এলসি খুলে শত কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. শওকত চৌধুরীর জামিন কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

 

এ মামলায় দুই আসামির জামিন শুনানিকালে বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) রুল জারি করেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

 

১০ দিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে কমার্স ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এম. সারোয়ার হোসেন। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আবদুল বাসেত মজুমদার ও ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান।

চলতি বছরের ০৮ ও  ১০ মে শওকত চৌধুরীসহ ব্যাংকটির নয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বংশাল থানায় দুটি মামলা করে দুদক।

অন্য আসামিরা হলেন- ব্যাংকটির ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বংশাল শাখার সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মো. হাবিবুল গনি, চাকরিচ্যুত অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, ফার্স্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার শিরিন নিজামী, সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সফিকুল ইসলাম, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট পানু রঞ্জন দাস, সাবেক ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ইখতেখার হোসেন, সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার দেবাশীষ বাউল, সাবেক এক্সিকিউটিভ অফিসার ও বর্তমানে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার আসজাদুর রহমান।

এরপর আগস্ট মাসে শওকত চৌধুরী হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে নিম্ন আদালতও তার জামিন মঞ্জুর করেন।
এদিকে আটককের মধ্যে আসাদুজ্জামান এবং হাবিবুল গণি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করলে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। এ রুলের শুনানিকালে বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট শওকতের জামিন বাতিলে রুল জারি করেন।

একই সঙ্গে মামলার পরবর্তী আদেশের জন্য ৭ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

অভিযোগে বলা হয়, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের বংশাল শাখা থেকে চলতি বছর ৮ মে ৮২ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৫ এবং ১০ মে ৯৩ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার ২১৩ টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে সংসদ সদস্য শওকতসহ ৯ জনের নামে দুটি মামলা করে দুদক। ২০১২ এর ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের মার্চ পর্যন্ত মোট ৩৭টি এলসি খুলে মেসার্স যমুনা অ্যাগ্রো কেমিক্যাল, মেসার্স অ্যাগ্রো কেমিকেল লিমিটেড ও উদয়ন অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নামে অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজসে তিনি এ ঋণ জালিয়াতি করেন। পরে যা সুদে আসলে শত কোটি টাকার ওপরে চলে যায়।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৫৯ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৪, ২০১৬/আপডেট: ১৬৩৩ ঘণ্টা
ইএস/এমএ/এমজেএফ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।