ঢাকা: ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২২-২০২৩ কার্যকরি কমিটির দুই দিনব্যাপী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এবার নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ১৯ হাজার ৮৪৭ জন।
বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। এর মধ্যে বুধবার ৪ হাজর ৫৭৭ জন এবং বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনে ৬ হাজার ৮৩৫ জন ভোট দেন।
এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচক কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু।
তিনি বলেন, দুই দিনে ১১ হাজার ৪১২ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে ভোট গণনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এরপর গণনা শেষে ফল ঘোষণা করা হবে।
তবে ভোটগ্রহণে অব্যবস্থাপনা লক্ষ্য করা গেছে। এ নিয়ে আইনজীবীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে বুথের সামনে জটলা পাকিয়ে ভোট চাইতে দেখা যায। ভিড় ও ঠেলাঠেলির কারণে বিশেষত নারী ও বয়স্ক আইনজীবীরা পড়েন বিপাকে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক আইনজীবী ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বরাবরের মতো এবারও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছে সরকার দল আওয়ামী লীগপন্থি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সাদা প্যানেল ও বিএনপিপন্থি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য সমর্থিত নীল প্যানেল।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল থেকে এবার সভাপতি পদে মাহবুবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক পদে মো. ফিরোজুর রহমান মন্টু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সাদা প্যানেলের অন্য প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মো. দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, সহ-সভাপতি পদে এ কে এম শফিকুল ইসলাম, ট্রেজারার পদে মোহাম্মদ নূর হোসেন, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. ইমানুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবু সাঈদ সিদ্দিকী, লাইব্রেরি সম্পাদক পদে ইফফাত জাহান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে তাসলিমা ইয়াসমিন, অফিস সম্পাদক পদে মুহাম্মদ আরকান মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. মনিরুজ্জামান খান ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে প্রদীপ চন্দ্র সরকার।
এ প্যানেল থেকে সদস্য পদে আবু সুফিয়ান, গোলাম ইমাম হোসেন, ইমতিয়াজ মাহমুদ, মো. আবুল বাশার, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. মহিউদ্দিন চৌধুরী, মো. রাকিবুল ইসলাম, মো. শরিফুল ইসলাম, সঞ্জয় কুমার কর্মকার, শারমিন সুলতানা টুম্পা ও শুলতা রোজারিও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অপরদিকে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে সভাপতি প্রার্থী মো. খোরশেদ মিয়া আলম ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এ প্যানেলের অন্য পদের প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মো. আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সভাপতি পদে মো. শহীদুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ পদে প্রার্থী আব্দুর রশিদ মোল্লা, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. জহিরুল হাসান, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আনিসুজ্জমান আনিস, লাইব্রেরি সম্পাদক পদে মো. রফিকুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নুরজাহান বেগম বিউটি, অফিস সম্পাদক পদে মো. আনোয়ারুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক পদে মোছা. নার্গিস পারভীন মুক্তি ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মোশারফ হোসেন মোল্লা।
নীল প্যানেল থেকে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- সোহেল উদ্দিন রানা, মুক্তি বেগম, রুবিনা আক্তার, ফয়সাল কবির, মো. মাহফুজার রহমান, মোজাম্মেল হক, ফরিদুল হাসান, মো. মশিউর রহমান, মো. আনোয়ার হোসেন চাঁদ, রেজাউল হক রিয়াজ ও মো. মোজাহিদুল ইসলাম।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাধারণ সম্পাদক পদে শহিদুল্লাহ ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মনিরুল ইসলাম আকাশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বাংলাদেশ সময়: ২১২৮ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
কেআই/আরবি