দিবসভিত্তিক পোশাকের ব্যবহার আমাদের সংস্কৃতিতে যুক্ত করেছেন এ দেশের ফ্যাশন ডিজাইনাররা। বুদ্ধিজীবীরাও মনে করেন, দিবসভিত্তিক পোশাকে ধারাটা চালু থাকা জরুরি।
বিজয় দিবসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের জাতীয় জীবনেরই বড় প্রাপ্তির ইতিহাস। পোশাকে দিবসটি ফুটিয়ে তোলার জন্য দেশীয় ফ্যাশন হাউস অঞ্জনসের কর্ণধার শাহীন আহমেদ বলেন, আমাদের কিছু দিন আছে যেগুলো খুবই অর্থবহ এবং সবাই চায় সেই দিনগুলো নানাভাবে উদযাপন করতে। আর এই উদযাপনের একটা বড় অংশজুড়ে থাকে পোশাক।
বেইলী রোড হয়ে শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট, তারপর বসুন্ধরা সিটি এরপর বনানী এগারো নম্বর রোড মাঝখানে ধানমন্ডি সোহবাহানবাগ ঘুরে উত্তরা, মিরপুর, যমুনা ফিউচার পার্ক সবখানে সব ফ্যাশন হাউসে বিজয়ের রঙ লেগেছে।
বরাবরের মতো এবারও বিজয়ের রঙ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে লাল-সবুজ রঙকে। বিজয়ের রঙ নিয়ে কথা বলতে গেলে দেশীয় ফ্যাশন স্টুডিও এমদাদের কর্ণধার এমদাদ হক বলেন, আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন হল বিজয় দিবস আর অবধারিতভাবেই বিজয়ের রঙ লাল-সবুজ।
ফ্যাশন হাউসগুলো ঘুরে দেখা গেছে, লাল-সবুজের নন্দনিকতায় পোশাক সম্ভারে রয়েছে শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, পাঞ্জাবি, ছেলে-মেয়েদের ফতুয়া এবং বাচ্চাদের সব ধরনের পোশাক। পুরো পরিবার যেন এক পোশাক পরতে পারে এজন্য, বাবা মায়ের পোশাকের সাথে মিল রেখে করা হয়েছে বাচ্চদের পোশাক।
পোশাকে বৈচিত্র্য আনতে হাতের কাজ, এম্ব্রয়ডারি, স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক, কারচুপি ও অন্যান্য কাজ করা হয়েছে।
সবগুলো হাউসেই পোশাকের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতা ও সাধ্যের মধ্যে।