ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ মাঘ ১৪২৯, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৭ রজব ১৪৪৪

জাতীয়

কাতার-কানাডা টাওয়ারে আগুন, আহত ১০

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২১২০ ঘণ্টা, নভেম্বর ৩০, ২০২২
কাতার-কানাডা টাওয়ারে আগুন, আহত ১০

চাঁদপুর: চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বাজারে কাতার-কানাডা (কিউসি) টাওয়ারের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।  

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ কমপক্ষে ১০জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে আগুন লাগে।  

ভবনের চতুর্থ তলার পূর্বপাশে লিফটের পাশে জমিয়ে রাখা পরিত্যাক্ত কার্টুন থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

আগুন লাগার খবর শুনে ১৩তলা ভবনের বস-বাসরত বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ধোঁয়া চতুর্থতলা থেকে উপরের দিকে দশম তলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে ভবনে বসবাসরত বাসিন্দাদের কয়েকজন আহত হয়। ওই টাওয়ারে হাসপাতাল, ব্যাংকসহ অর্ধশতাধিক বাণিজ্যি প্রতিষ্ঠান ও অর্ধশতাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে।

আগুন নেভাতে গিয়ে অন্ধকারে ফায়ার সার্ভিসের দুইজন কর্মী আহত হয়। কিউসি টাওয়ার থেকে ফায়ারস্টেশন মাত্র ৫’শ গজ দূরে হওয়ায় দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে আসতে সক্ষম হয়। এতে ভবনে বসবাসরত শতাধিক মানুষ প্রাণে রক্ষা পায়।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান,  পঞ্চম তলার বাসিন্দারা দক্ষিণ পূর্ব পাশের দরজা দিয়ে বের হয়ে নিচে লাফিয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। তবে ফায়ার সার্ভিসের মই (চঙ্গা) দিয়ে তাদেরকে ছয় তলায় তুলে নেওয়া হয়। পরে নিচে নামিয়ে আনা হয়। সপ্তম তলা থেকে উপরের লোকদেরকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ছাদে নিয়ে যায় এবং এর নিচের লোকদের নিচে নামিয়ে আনেন।  

হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার রাশেদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, পরিত্যাক্ত কার্টুনে কেউ সিগারেটের আগুন ফেললে সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুনে তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি না হলেও ভবনের ভেতর প্রচণ্ড ধোঁয়ায় ছেয়ে গেছে। ভবন থেকে নামতে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আমাদের দুজন কর্মীসহ প্রায় ১০জন আহত হয়েছেন।

বাংলাদেশ সময়:  ২১২০ ঘণ্টা, ৩০ নভেম্বর , ২০২২ 
এসএএইচ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa