ঢাকা: দ্য চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর ব্রঙ্কোকোলজি অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল পালমোনলোজির উদ্যোগে বিশ্ব ফুসফুস দিবস উপলক্ষে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ডা. নারায়ণ চন্দ্র দত্ত নিতাই অডিটোরিয়ামে দিবসটি উপলক্ষে রেনেটা লিমিটেডের সৌজন্যে এ সাইন্টিফিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
এদিন শুরুতেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। এরপর পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব ফুসফুস দিবসের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিত নেতারা, সদস্য, সর্বস্তরের চিকিৎসক কর্মকর্তা ও হাসপাতালের কর্মচারীদের সমন্বয়ে একটি র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈজ্ঞানিক অধিবেশনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দ্য চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর ব্রঙ্কোকোলজি অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল পালমোনলোজির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. বিশ্বাস আকতার হোসেন, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সম্মানিত পরিচালক ডা. মো. খায়রুল আনাম, চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব ডা. মো. আবু রায়হান এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর ব্রঙ্কোকোলজি অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল পানমোনলোজির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মু. সাইদুল ইসলাম।
দ্য চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফন ব্রঙ্কোকোলজি অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল পালমোনলোজির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মির্জা মোহাম্মদ হিরনের সভাপতিত্বে বৈজ্ঞানিক অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।
অধিবেশনে বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর ব্রঙ্কোকোলজি অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল পালমোনলোজির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রউফ, দ্য চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের দপ্তর সম্পাদক ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর ব্রঙ্কোকোলজি অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল পালমোনলোজির যুগ্ম-সচিব সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস এম আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও দ্য চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের কার্যকরী সদস্য সহযোগী অধ্যাপক ডা. নিহার রনজন সাহা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ডা. বিপুল কান্তি বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. মফিজুর রহমান মিয়া।
সেমিনারে ফুসফুস ক্যানসার প্রতিরোধ বিষয়ক বৈজ্ঞানিক অধিবেশনটিতে ফুসফুস ক্যানসারের বৈশ্বিক পরিস্থিতি, বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত এবং ভয়াবহতা নিয়ে আলোকপাতের পাশাপাশি ফুসফুস ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যাপারে দিক নির্দেশনামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ফুসফুসের ক্যানসার মৃত্যুর অন্যতম কারণ। পরিবেশের বিভিন্ন দূষণ এবং ধূমপানের কারণে ফুসফুসে ক্যানসার হয়। পরিবেশ দূষণ রোধসহ আমাদের ধূমপান বাদ দিতে হবে। ফুসফুসের ক্যানসার প্রতিরোধে আমাদের আরও বেশি সচেতন হতে হবে। মনে রাখতে হবে, ফুসফুসের রোগ প্রতিকারের থেকে প্রতিরোধে আমাদের বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের দেশে বেশিরভাগ রোগী অনেক দেরি করে চিকিৎসা নিতে আসে হাসপাতালে। যখন আসে তখন আর আমাদের তেমন কিছুই করার থাকে না, তাই আমাদের সচেতন হতে হবে, সবাই মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন দ্য চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর ব্রঙ্কোকোলজি অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল পালমোনলোজির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মির্জা মোহাম্মদ হিরন।
তিনি উভয় অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্যের উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ জানান। রেনাটা লিমিটেডকে সায়েন্টিফিক পার্টনার হিসেবে অংশ গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৩০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৩
আরকেআর/আরআইএস