মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে অর্থ হাতিয়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রুপাপাত ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সানোয়ার মোল্যা নামের এক ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে। পরে টাকা নেওয়ার ঘটনায় হতদরিদ্র পরিবারের সদস্য কদমী গ্রামের বাসিন্দা মো. লুৎফর রহমানের স্ত্রী নিরু বেগম ওই ইউপি সদস্যের নামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০২৩ সালের প্রথম দিকে সানোয়ার মোল্যা নিরা বেগমের মেয়ে ও ছেলের বউকে মাতৃত্বকালীন ভাতা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ১০ হাজার টাকা নেয়। তার মেয়ের বাচ্চার বয়স ৮ মাস হয়ে গেলেও তাদের যাঁচাই-বাছাইয়ের জন্য ডাকা হয়নি। তিনি ইউনিয়ন পরিষদে খোঁজ খবর নিয়ে দেখেন তাদের কোন কাগজপত্র ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেওয়া হয়নি।
পরে ইউপি সদস্য সানোয়ার মোল্যার নিকট টাকা ফেরত চাইলে সে মাতৃত্বকালীন ভাতা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আরো ৬ মাস বিভিন্ন তালবাহানা করেন।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য সানোয়ার মোল্যা বলেন, ভাতার কথা বলে টাকা নিয়েছিল অন্য একজন। বিষয়টি আমি জানি। তবে, তখন আমি মেম্বার ছিলাম না।
অভিযোগকারী নিরু বেগম বলেন, দুটি গর্ভকালীন ভাতার কার্ড করে দেয়ার কথা বলে সানোয়ার মেম্বার নিজেই আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছে। দুটির একটিও কার্ড করে দেয়নি।
রুপাপাত ইউপি চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান সোনা মিয়া বলেন, ইউপি সদস্য সানোয়ার মোল্যার বিরুদ্ধে মাতৃত্বকালীন ভাতা পাইয়ে দেয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার ব্যাপারে ইউএনও স্যারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে শুনেছি। তবে ওই মহিলা হতদরিদ্র বলে জানতে পেরেছি।
এ ব্যাপারে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান বলেন, আমি এখনও এ ধরনের কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সময়: ০০০৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪
এমএম