ঢাকা, বুধবার, ৩ বৈশাখ ১৪৩১, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৭ শাওয়াল ১৪৪৫

জাতীয়

বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

বাঁচতে কাচ্চি ভাইয়ের স্টোর রুমে আশ্রয়, সেখানেই মিলেছে বেশি লাশ 

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২১৪১ ঘণ্টা, মার্চ ২, ২০২৪
বাঁচতে কাচ্চি ভাইয়ের স্টোর রুমে আশ্রয়, সেখানেই মিলেছে বেশি লাশ 

ঢাকা: রাজধানীর বেইলি রোডে বেজমেন্টসহ ৮তলা বাণিজ্যিক ভবনে ভয়াবহ আগুনে নারী পুরুষ শিশুসহ ৪৬ জন মারা গেছে। ফায়ার সার্ভিস বলছে,বেইলি রোডে আগুন নিয়ন্ত্রণের পর বেশিরভাগ লাশ ভবনের দ্বিতীয় তলার কাচ্চি ভাই দোকানের একটি স্টোর রুম থেকে উদ্ধার করা হয়।

দেখে বোঝা যাচ্ছে, মানুষজন বাঁচার জন্য ওই স্টোর রুমে আশ্রয় নিয়েছিল। পরে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়।

শনিবার (২ মার্চ) ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা শাজাহান সিকদার এসব কথা বাংলানিউজকে বলেন।

তিনি আরও বলেন, একে একে ১৩ ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণের পরে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করা হয়।

ভবনের দ্বিতীয় তলায় কাচ্চি ভাইয়ের রেস্টুরেন্টের ভেতরে একটি স্টোর রুম ছিল। যেখানে হোটেলের কিছু মালামাল রাখা হতো। সে স্টোর রুম থেকে বেশিরভাগ লাশ উদ্ধার করা হয়। মনে হচ্ছে মানুষগুলো আগুনের থেকে বাঁচার জন্য ওই স্টোর রুমে প্রবেশ করেছিল। আগুনে সে স্টোর রুমের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। স্টোর রুম থেকে উদ্ধার করা সব নিথর দেহে কোনো বার্ন ছিল না।

তিনি আরও বলেন, বেইলি রোডে ওই ভবনটি বেজমেন্টসহ ৮ তলা। পুরোটাই কমার্শিয়াল। এর ছাদে একটি অফিস ও মসজিদ ছিল। আগুন লাগার পরপরই অনেকে সিঁড়ি দিয়ে নিচের নামতে না পারায় ছাদে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। তাদের উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। এছাড়া ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় সিঁড়ির থেকে বেশ কয়েকজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। মনে হয় সে মানুষগুলো নামতে গিয়ে মারা যায়। দুইজনের পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে সিঁড়িতে থেকেই।

গত বৃহস্পতিবার ( ২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডে কাচ্চি ভাই নামে একটি রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। সেখানে ১৩ ইউনিট কাজ করে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। এ অগ্নিকাণ্ডে নারী পুরুষ শিশুসহ মোট ৪৬ জন মারা যায়।

বাংলাদেশ সময়: ২১৪১ ঘণ্টা, মার্চ ২, ২০২৪
এজেডএস/জেএইচ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।