ঢাকা, শুক্রবার, ৬ বৈশাখ ১৪৩১, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৯ শাওয়াল ১৪৪৫

রাজনীতি

‘দস্যুতা বন্ধ না হলে নির্বাচন বর্জন’

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০৫৫ ঘণ্টা, নভেম্বর ২, ২০২১
‘দস্যুতা বন্ধ না হলে নির্বাচন বর্জন’ অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

ঢাকা: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, ‘চলমান ইউপি নির্বাচনে সারা দেশে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ও কর্মীদের ওপর সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা নজিরবিহীন হয়রানি করছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা সরকার দলীয় দস্যুদের নিয়ন্ত্রণে কোনো ভূমিকা পালন না করে বরং তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হতে সহযোগিতা করছে।

এ অবস্থা চলতে থাকলে ইসলামী আন্দোলন বর্তমান সরকারের অধীনে সব ধরনের নির্বাচন বর্জন করতে বাধ্য হবে। ’

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নির্বাচন মনিটরিং কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, আলহাজ আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, বরকত উল্লাহ লতিফ, মাওলানা খলিলুর রহমান, জিএম রুহুল আমীন, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী ও শেখ ফজলুল করীম মারুফ।

আরও অংশ নেন অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান, আলহাজ আব্দুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মাওলানা মকবুল হোসাইন, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ইশা ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল করীম আকরাম, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা কামাল উদ্দিন সিরাজ, জাতীয় শিক্ষক ফোরামের সেক্রেটারি অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, ইসলামী আইনজীবী পরিষদের  অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হানিফসহ ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ নেতৃবৃন্দ।

এ সময় ফতুল্লার কাশিপুর ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. ওমর ফারুকের ওপর সরকার দলীয় বাহিনীর সশস্ত্র হামলা ও তাকে প্রাণনাশের চেষ্টার তীব্র নিন্দা এবং অবিলম্বে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। এছাড়া সভায় ঘোড়াশাল, পাকুন্দিয়াসহ ১০টি পৌর নির্বাচনে সরকার দলীয় প্রার্থীদের ভোট ডাকাতির অভিযোগ এনে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

মঙ্গলবার ছিল তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এদিন কুমিল্লার নিলখি ইউনিয়নে হাতপাখার চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. ময়নাল হোসেনের মনোনয়নপত্র ছিঁড়ে ফেলে হোমনা থানা যুবলীগ সভাপতি নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী। এ সময় মো. ময়নাল হোসেনকে বেধড়ক মারধর করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ২০৫৫ ঘণ্টা, নভেম্বর ০২, ২০২১
এমএইচ/এনএসআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।