ঢাকা, বুধবার, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

শিল্প

চারগুণ ব্যয় বৃদ্ধি

একনেকে উঠছে নর্থবেঙ্গল চিনিকল উন্নয়ন প্রকল্প

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯৫৫ ঘণ্টা, জুন ২০, ২০১৬
একনেকে উঠছে নর্থবেঙ্গল চিনিকল উন্নয়ন প্রকল্প

ঢাকা: চারগুণ ব্যয় বৃদ্ধি করে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে নাটোরের লালপুর নর্থবেঙ্গল চিনিকলকে উন্নত করা হবে। চিনিকলে নতুন করে ডিস্টিলারি স্থাপন করে মোলাসেস (চিটাগুড়) থেকে বিভিন্ন ধরনের অ্যালকোহল উৎপাদন তৈরি করা হবে।

এ কারণে ৭৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকার প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে ঠেকেছে ৩৭০ কোটি ৫০ লাখ টাকায়। এতে করে মূল প্রকল্প থেকে প্রায় চারগুণের বেশি ব্যয় বেড়েছ। তবে অ্যালকোহলের নাম এখনও ঠিক করা হয়নি। সবার পরামর্শে রফতানি নির্ভর করে অ্যালকোহলের নাম নির্ধারণ করা হবে।

প্রকল্পটি মঙ্গলবার (২১ জুন) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে।

সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শিল্প ও সমন্বয় উইংয়ের যুগ্ম প্রধান কামরুন নাহার বাংলানিউজকে বলেন, ‘চিনিকলটি অনেক পুরনো হয়ে গেছে। আমরা বেশ কিছু কম্পোনেন্ট যোগ করতে যাচ্ছি। প্রকল্পের আওতায় জীবাশ্ম জ্বালানি (ফার্নেস অয়েল) এর পরিবর্তে উৎপাদিত বায়োগ্যাস বয়লার ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় করা হবে। সুগার মিলের প্রেস মাড ও ডিস্টিলারির বর্জ্য স্পেন্ট ওয়াশ ব্যবহার করে জৈবসার উৎপাদন করা হবে’।

‘পরিবেশ দূষণ রোধ করে জমির উর্বরতা বৃদ্ধিরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে’।
 
বছরে ৯০ লাখ লিটার অ্যালকোহল উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)। এসব অ্যালকোহল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি করে প্রায় শত কোটি টাকা আয় করা হবে। এছাড়া চিনিকলের বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় করে বছরে ৪০ হাজার মেট্রিক টন সাদা চিনি ও বায়োকম্পোস্ট (জৈবসার) বিক্রি করে অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করা হবে।  
 
বিএসএফআইসি সূত্র জানায়, চিনিকলে সুগার রিফাইনারি স্থাপন করে আমদানিকৃত ‘র’ সুগার থেকে বছরে ৪০ হাজার মেট্রিক টন সাদা চিনি উৎপাদন করা হবে। কো-জেনারেশন পদ্ধতিতে নর্থবেঙ্গল চিনিকলে ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে মিলের নিজস্ব প্রয়োজনে ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে। বাকি ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।    
 
নর্থবেঙ্গল চিনিকলে কো-জেনারেশন পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সুগার রিফাইনারি স্থাপন প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়িয়ে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। প্রকল্পের মেয়াদ বেড়ে এখন ২০১৮ সালের জুন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৩ ঘণ্টা, জুন ২০, ২০১৬
এমআইএস/এএসআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa