বুধবার (১ জানুয়ারি) এ তথ্য জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
অস্ট্রেলিয়ার পুলিশের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, সোমবার থেকে ভয়াবহ দাবানলে দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে সাত জনের প্রাণহানি হয়েছে।
নিউ সাউথ ওয়েলসে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ১৭৬টি বসতবাড়ি। এছাড়া, সোমবার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের ইস্ট গিপ্সল্যান্ডের প্রধান মহাসড়ক ‘প্রিন্সেস হাইওয়ে’ বন্ধ করে দেওয়ায় ওই অঞ্চলে আটকে পড়েন প্রায় ৩০ হাজার পর্যটক ও ৪৫ হাজার স্থানীয় বাসিন্দা। বুধবার দুই ঘণ্টার জন্য ওই সড়ক খুলে দেওয়া হলে এলাকা ছাড়তে শুরু করে মানুষ।
তারপরও দাবানল অঞ্চলে আটকে গেছেন অনেকে। এ রাজ্যের ম্যালাকুটা নগরে এক দশমিক ছয় টন দুপেয় পানি বিতরণ করেছে পুলিশ। এ নগরে অনেক মানুষ রাত পার করেছেন নিজেদের গাড়ির ভেতর বা ডেক চেয়ারে বসে।
ভিক্টোরিয়া রাজ্যেও দাবানলে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ইস্ট গিপ্সল্যান্ডে পুড়ে গেছে ৪৩টি বসতবাড়ি। ইস্ট গিপ্সল্যান্ড ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা বেন র্যানকিন বলেন, দাবানল কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস পর্যন্ত চলতে পারে। কবে এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। এছাড়া, দাবানল আক্রান্ত বেশ কিছু দুর্গম অঞ্চলে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে দমকল বাহিনী।
বুধবার নিউ সাউথ ওয়েলস রুরাল ফায়ার সার্ভিস জানায়, দাবানলে এ রাজ্যে এখন পর্যন্ত ৯১৬টি ঘর ভস্মীভূত ও ৩৬৩টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ম্যালাকুটার বাসিন্দা এলিসন ম্যারিয়ন নামে এক নারী তার ১১ বছর বয়সী ছেলে ফিনকে নৌকায় করে নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠিয়েছেন। ফিন নিজেই ওই নৌকা চালিয়ে যায়, সঙ্গে ছিল তার ভাই ও তাদের পালিত কুকুর। নৌকা চালানো অবস্থায় ফিনের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেন এলিসন, মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় সেটি।
আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়া দাবানল: ঝুঁকিতে ৩০ হাজার পর্যটক
>> ক্ষমা চাইলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন
বাংলাদেশ সময়: ১৭০২ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০১, ২০২০
এফএম