ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ বৈশাখ ১৪৩১, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১৩ শাওয়াল ১৪৪৫

ইচ্ছেঘুড়ি

একুশের ভাষা শহীদ

শফিউর রহমান

ইচ্ছেঘুড়ি ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৩৩৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৬
শফিউর রহমান

ঢাকা: চলছে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিতে বায়ান্নোর ২১শে ফেব্রুয়ারি প্রাণ বিসর্জন দেয় এদেশের বীর সন্তানেরা।

ভাষাশহীদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা পাই প্রাণের ভাষা বাংলা, মা ডাকার ‍অধিকার।

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করতে যারা নিজের প্রাণ দিয়েছেন সেসব শহীদ স্মরণে ফেব্রুয়ারি মাসে ইচ্ছেঘুড়িতে থাকছে ধারাবাহিক বিশেষ আয়োজন-

শফিউর রহমান
শফিউর রহমানের জন্ম ১৯১৮ সালের ২৪ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায়। তার বাবা ছিলেন ঢাকার পোস্ট অ্যান্ড টেলিগ্রাফ অফিসের সুপারিনটেন্ডেন্ট। শফিউরের পড়াশোনা ও প্রথম চাকরি ছিলো পশ্চিমবঙ্গেই। দেশ বিভাগের পর তিনি ঢাকা চলে আসেন। তখন তিনি ছিলেন ঢাকা হাইকোর্টের হিসাবরক্ষণ শাখার অধীনস্থ কর্মকর্তা।

১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, সকাল দশটা। রঘুনাথ দাস লেনের বাসা থেকে সাইকেলে করে অফিসে যাচ্ছিলেন শফিউর। এদিকে সাড়ে দশটার দিকে নওয়াবপুর রোডে ২১শে ফেব্রুয়‍ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে ছাত্র-জনতা ফের মিছিল করে। পুলিশ সেখানেও গুলি চালায়। এসময় একটি গুলি এসে লাগে শফিউরের পিঠে। আহত শফিউরকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজে। অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু তা সফল হয়নি। সেদিন সন্ধ্যা সাতটায় চিরতরে চোখ বোজেন এ ভাষা শহীদ।  

২২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদ আবুল বরকতের কবরের পাশেই দাফন করা হয়।   ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সরকার শফিউর রহমানকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে ও ২০০৬ সালে শফিউরসহ অন্য ভাষা শহীদের পরিব‍ারকে আজীবন ভাতা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৩২ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৬
এসএমএন/এএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।