ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ শাবান ১৪৪৫

ইচ্ছেঘুড়ি

রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৩৬)

গল্প/ইচ্ছেঘুড়ি | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৪৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ১১, ২০১৭
রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৩৬) রহস্য দ্বীপ

অন্ধকার ঘনিয়ে আসার পর ছেলে দুটি রওয়ানা হয়। মেয়েরা ওদের বিদায় জানিয়ে উইলো বাড়িতে যায়। কারণ সেদিনের সন্ধ্যেটা প্রতিদিনের মতো পুরোপুরি উষ্ণ ছিলো না। ওরা একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে গল্প করতে বসে যায়। রহস্য দ্বীপে একাকী থাকার মজাই আলাদা।

ছেলেরা হ্রদের ওপর দিয়ে নৌকা বেয়ে জ্যাক সচরাচর যেখানে নামে সেখানটাতে আসে। হ্রদের পাশে একটা গোপনীয় জায়গা, যেখানে জলের ওপর গাছের সারি নুয়ে পড়েছে।

ওরা নৌকাটা টেনে ওর ভেতরে ঢুকিয়ে রাখে এবং তারপর বনের ভেতর পথ করে চলতে শুরু করে। কিছুক্ষণ পর ওরা জ্যাকের দাদার বাড়ির সামনের মাঠে চলে আসে। জ্যাক পুরাতন কুটিরটির দিকে তাকায়। সেখানে কোনো আলো নেই। ভেতরে কেউ নেই। তার দাদা চলে গেছে। কাছের মাঠে কয়েকটা গরু আর ঘোড়া দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেরা শুনতে পায় একটা ঘোড়া ডাকছে!

ওখানে ওই ছাউনিটা দেখতে পাচ্ছ, মাইক? নিচু স্বরে, জ্যাক জানতে চায়। বুঝলে, ওখানে কিছু দড়ি আছে। আমার গরুটা খোঁজার ফাঁকে তুমি গিয়ে দড়ি নিয়ে এসো। দরজার পাশেই কোনার দিকে দড়ি পাবে।
মাইক অন্ধকার মাঠের ওপর দিয়ে টলতে টলতে কোনার পড়পড় ছাউনির দিকে এগিয়ে যায়। জ্যাক অদ্ভুত একটা কিচিরমিচির শব্দ করতে করতে গরুগুলোর কাছে যায়। প্রকাণ্ড একটা বাদামি আর সাদা গাভী অন্যদের পাশ কাটিয়ে কর্কশ স্বরে চেঁচিয়ে জ্যাকের দিকে এগিয়ে আসে।

জ্যাক কৌত‍ূহলে একটা দিয়াশলাই কাঠি জ্বালায় এবং ওর দিকে তাকায়। এটাই ডেইজি, গাভীটাকে সে বাছুর থেকে পেলে পুষে বড় করে তুলেছে। সে ওটার তুলতুলে নাকটা ঘষে এবং মাইককে ডাকে:
‘তাড়াতাড়ি দড়ি নিয়ে এসো! আমি গরুটা পেয়েছি। ’

মাইক ছাউনির ভেতর ঢুকে দড়ি হাতড়াতে থাকে এবং বিশাল একটা দড়ির কুণ্ডলি পেয়ে যায়। সে মাঠের ওপর দিয়ে টলতে টলতে জ্যাকের কাছে এগিয়ে আসে।

চলবে....

বাংলাদেশ সময়: ২০৫২ ঘণ্টা, এপ্রিল ১১, ২০১২
এএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।