ঢাকা, শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগস্ট ২০২৫, ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

আইন ও আদালত

জামিন চাইতে ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেননি লতিফ সিদ্দিকী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪:৪৫, আগস্ট ২৯, ২০২৫
জামিন চাইতে ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেননি লতিফ সিদ্দিকী লতিফ সিদ্দিকী

ঢাকা: রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়নি। জামিন চাইতে তিনি আইনজীবীর ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেননি।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার পক্ষে আদালতে উপস্থিত হওয়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম সাইফ।

তিনি বলেন, লতিফ সিদ্দিকীর জামিনের প্রার্থনার জন্য যখন তার কাছে ওকালতনামায় স্বাক্ষর করতে যাই, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে-তখন তিনি বলেন, যে আদালতের জামিন দেওয়ার ক্ষমতা নেই, তার কাছে কেন জামিন চাইব? আমি ওকালতনামায় স্বাক্ষর করব না, জামিন চাইব না।  

অন্য আসামিদের পক্ষে জামিন আবেদন করা হয় বলে জানান আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম, কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌসিফুল বারী খান, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহাম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।

এদিন সকালে তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক তৌফিক হাসান। আসামিপক্ষে আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে ‘মঞ্চ ৭১’। এটিকে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের প্ল্যাটফর্ম বলে অভিযোগ করে আসছে জুলাই অভ্যুত্থানের আন্দোলনকারীরা।

অনুষ্ঠানটির আমন্ত্রণপত্রে অতিথি হিসেবে নাম ছিল গণফোরামের সাবেক সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও আইনজীবী জেড আই খান পান্নার। এ অনুষ্ঠানে লতিফ সিদ্দিকী এলে তাকে একদল লোক ঘিরে ফেলে এবং আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের নিয়ে যায়। পরে বিকেলে তাদের শাহবাগ থানা থেকে ডিবিতে নেওয়া হয়।

রাতে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করে।

কেআই/এসআইএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।