খেজুর শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, এর স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও অনেক। রোজা ভাঙার সময় স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের পাতে এই সুপারফুড না হলে চলেই না।
* প্রচুর পরিমাণে ফাইবার মেলে খেজুরে। ফাইবার প্রাকৃতিক রেচক হিসেবে কাজ করে, হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।
* নিয়মিত খেজুর খেলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। কারণ এটি হজম শক্তি ও সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়ার উৎপাদন বাড়ায়।
* খেজুরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে। এতে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম আছে।
* প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, প্রাকৃতিক শর্করা যেমন গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজ মেলে খেজুরে। এগুলো দ্রুত আমাদের শক্তি জোগায়। ব্যায়ামের ঠিক আগে খেজুর খেতে পারেন। বাড়বে কর্মক্ষমতা।
* কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে খেজুর। জার্নাল অব এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রিতে প্রকাশিত গবেষণা অনুসারে, খেজুরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এলডিএল কোলেস্টেরলের অক্সিডেশন রোধ করতে সাহায্য করতে পারে।
* খেজুরে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম পাওয়া যায় যা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য এবং স্মৃতিশক্তি ভালো রাখে। এছাড়া পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খেজুর স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীদের জন্য খেজুর খুবই উপকারী। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ শতাংশ পূরণ করে খেজুর।
* খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে যা হাড়ের স্বাস্থ্য এবং শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস হাড়ের ক্ষয় রোধ এবং অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।
* প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি রয়েছে খেজুরে। ফলে অতিরিক্ত না খাওয়াই ভালো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনে ৩ থেকে ৬টি খেজুর খাওয়া যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবেন খেজুর।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫
এএটি