ঢাকা, শনিবার, ২১ মাঘ ১৪২৯, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২ রজব ১৪৪৪

জাতীয়

কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২৩৪০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২, ২০২২
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি

যশোর: কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলামকে প্রাণনাশের হুমকি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের মা-বোনদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে বক্তারা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রদানকারী কেশবপুর পৌর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক আলমগীর সিদ্দীক টিটু ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কেশবপুর পৌর শহরের মেইন রোডে বিক্ষোভ মিছিল শেষে দৌলত বিশ্বাস চত্বরে এ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান প্রজন্মের আয়োজনে এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এ কর্মসূচি থেকে আগামী সাতদিনের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন- উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোহাম্মদ আলী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মিলন মিত্র, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কাজী মোস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত প্রমুখ।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ কমাউন্ড থেকে গাড়িতে ওঠার সময় অতর্কিতভাবে পৌর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক আলমগীর সিদ্দীক টিটুর নেতৃত্বে ১৫/২০ জন সন্ত্রাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলামকে অপমান ও হত্যার হুমকি দেন। এমনকি প্রতিবাদ করলে তাকে ও তার ছেলেদের হত্যার হুমকি দেন ও মুক্তিযোদ্ধাদের মা-বোন তুলে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় তিনি আলমগীর সিদ্দীক টিটু (৪০), মধ্যকুল গ্রামের রাজিব খান (৩৫), জামাল হোসেন ও শামীম হোসেন, ভোগতী গ্রামের আরিফ হোসেন (৩৫), আলতাপোল গ্রামের ইকরামুল (৩৫), শামিম (২৫), বায়সা গ্রামের মাসুদ হোসেনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, আলমগীর সিদ্দীক টিটুর মা জামায়াতের সক্রিয় একজন নারী নেত্রী। তার বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা আদালতে বিচারাধীন। তবে একজন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিজয়ের মাসের প্রথম দিনেই আমাকে যে প্রকাশ্যে গালিগালাজ ও হুমকি দিল, যেটা কল্পানাতীত।  

তিনি আরও বলেন, গোটা কেশবপুর একটা চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে গেছে। ওই টিটু এখন অঘোষিত কালেক্টর। এখন সুইপারের চাকরি পেতে হলেও তার কাছে টাকা দেওয়া লাগে।

বাংলাদেশ সময়: ২৩২৪ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০২, ২০২২
ইউজি/আরবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa