ঢাকা: ঈদুল ফিতরের পঞ্চম দিনেও চিড়িয়াখানায় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিন দেখা যায়, বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার পরিজন নিয়ে চিড়িয়াখানায় এসেছেন অনেকে। চিড়িয়াখানার গেটের সামনের অংশ হকার ও ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে।
ডান পাশের স্থায়ী টিকিট কাউন্টার ও গেটে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বাম পাশের অস্থায়ী গেট দিয়েও দর্শনার্থীরা চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করেন।
টিকিট বিক্রেতারা বলেন, সকালে টিকিট বিক্রি কম ছিল। দুপুরের পর থেকে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। বিকেল যত গড়ায়, ভিড় তত বাড়ে।
মিরপুর ১২ নম্বর থেকে থেকে চিড়িয়াখানায় আসা পোশাক শ্রমিক মো. জনি বলেন, স্ত্রী-দুই মেয়ে ও এক ভাতিজাকে সঙ্গে নিয়ে এসেছি। বাচ্চারা পশুপাখি দেখে আনন্দ পেয়েছে।
বন্ধুকে নিয়ে গাজীপুর থেকে আসা মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, এখানে যেমন গরম আছে, আবার গাছের ছায়াও আছে। লেকের পাড়েই বসেছিলাম। তেমন একটা ঘোরা হয়নি। আড্ডা দিলাম একসঙ্গে। এখন কোথাও খাওয়া দাওয়া করব। তারপর বাড়ি ফিরব।
পুরান ঢাকার শাঁখারী বাজার এলাকা থেকে পরিবার নিয়ে চিড়িয়াখানায় আসা ভুবন চন্দ্র বলেন, এখানে এসেছি দুপুরের দিকে। একটু ভিড় থাকায় গরম লাগছে। সঙ্গে ছোট বাচ্চা থাকায় পুরোটা চিড়িয়াখানা ঘুরতে পারিনি। আবার আসব একদিন।
জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার বাংলানিউজকে বলেন, ঈদের তুলনায় আজ (শুক্রবার) দর্শনার্থী একটু কম এসেছে। তাও প্রায় ৬৫ হাজার দর্শনার্থী ঈদের পঞ্চম দিনে এসেছেন।
অন্য দিনগুলোতে দর্শনার্থী কেমন ছিল, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঈদের দিন ৭০ হাজারের একটু বেশি, দ্বিতীয় দিন এক লাখ ৭০ হাজার, তৃতীয় দিনে এক লাখ ৫০ হাজারের কাছাকাছি, চতুর্থ দিনে প্রায় ৯০ হাজার দর্শনার্থী প্রবেশ করেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৫২ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৪, ২০২৫
এমএমআই/আরএইচ