ঢাকা, শুক্রবার, ৩ মাঘ ১৪৩১, ১৭ জানুয়ারি ২০২৫, ১৬ রজব ১৪৪৬

জাতীয়

শাহবাগে ভালোবাসার ফুল বিকিকিনি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৪০০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৭
শাহবাগে ভালোবাসার ফুল বিকিকিনি শাহবাগে ফুল বিকিকিনি / ছবি: দীপু মালাকার

ঢাকা: ভ্যালেন্টাইন ডে-তে (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম প্রধান উপকরণ হচ্ছে রঙ-বেরঙের ফুল। ইংরেজি ক্যালেন্ডারে ১৪ ফেব্রুয়ারির ঠিক আগের দিন পহেলা ফাল্গুন, বাঙালির প্রেমের ঋতু। কাজেই ১২ ফেব্রুয়ারি থেকেই ফুলের দোকানগুলোতে লেগে যায় ব্যাপক ভিড়।

ব্যবসায়ীরা বলেন, বিশেষ করে পহেলা ফাল্গুন ও ভ্যালেন্টাইন ডে-র জন্য আমরা অপেক্ষা করি। কারণ, সারাবছর যে পরিমাণ ফুল বিক্রি করি এর চেয়ে বেশি ফুল বিক্রি হয় এ দুই দিবসে।

তবে আমরা পাইকারি ব্যবসায়ীরা বেশিরভাগ ফুল খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে থাকি।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা বেশিরভাগ ফুল সাভার, যশোরের গদখালী, ঝিনাইদহ, কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার চাষিদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেন বলে জানা গেছে।

ইয়াছিন নামে এক পাইকারী ব্যবসায়ী বাংলানিউজকে বলেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ১২ থেকে ১৫টি বাস শাহবাগে ফুল নিয়ে এসেছে। বেশিরভাগ গাড়ি এসেছে যশোরের গদখালী বাজার থেকে। বাসে করে কয়েক লাখ পিস রজনীগন্ধা, গোলাপ, জারবেরাসহ অন্যান্য ফুল এসেছে শাহবাগে।

পাইকারি ফুলের হাট ঘুরে দেখা যায়, শাহবাগের পাইকারি ফুলের দোকানগুলোতে গোলাপ, গাঁদা, জারবেরা, কাজরার মালা, রজনীগন্ধা, জিপসি, গেলোডোলেক্স, লিলিয়াস, ওয়ান্ডি, স্টোমা, লংস্টিক রোজ ফুলের মেলা বসেছে। মেলাকে ঘিরে ফুল ব্যবসায়ীদের জমজমাট কর্মতৎপরতা।

শাহবাগে ফুল বিকিকিনি

ভালবাসা দিবসে জারবেরা ফুল পিস প্রতি ৩০ থেকে ৪০টাকা, কাজরার মালা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, রজনীগন্ধা ১৫ থেকে ২০ টাকা, গাঁদা ফুলের মালা ২০ থেকে ২৫ টাকা ও জিপসি ফুলের ছোট ছোট বান্ডিল ২০ থেকে ৩০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। গোলাপ ১শটি এক হাজার টাকা, রজনীগন্ধা ১শটি ৩শ টাকা, গেলোডোলেক্স ১শটি এক হাজার টাকা ও জিপসি ফুলের বড় এক বান্ডিল মিলছে ২শ ৫০ টাক‍ায়।

শাহবাগের ফুল বাহার দোকানের প্রোপাইটার সাদেকুর রহমান জানান, ভালোবাসা প্রকাশ করতে প্রিয়জনকে গোলাপ উপহার দেওয়া হয় এ দিবসে। এ কারণেই বছরের অন্য সময়ের চেয়ে এ সময়টাতে গোলাপের চাহিদা থাকে বেশি।

অন্যদিকে, খুচরা ব্যবসায়ী আরিফুর জাম‍ান বলেন, আমি প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন রকমের ফুল পাইকারি ব্যবসায়ীদের থেকে কিনেছি। আমার ছোট দোকান তাই বেশি ফুল নিলাম না। কারণ, ফুলগুলো রাখা অনেক কষ্টকর। বিক্রি না হলে নষ্ট হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আমার দোকানের বেশির ভাগ ক্রেতা হলো স্কুল ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা।  

বাংলাদেশ সময়: ০৯৫৬ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৭
ওএফ/এসএনএস
 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।