রোববার (২৩ এপ্রিল) গুলশানের স্প্রেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ২০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।
এসময় তিনি পরামর্শ তুলে ধরে বলেন, হিজড়াদের জন্য পার্লার, নাচ-গানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে জীবন নির্বাহের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
মানবাধিকার চেয়ারম্যান বলেন, বিশেষ কমিউনিটিকেও মানবাধিকারের আওতায় আনতে গেলে অন্যান্য নাগরিকদের মতো অধিকার দেয়া উচিত।
অনুষ্ঠানে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি হাবিবুর রহমান বলেন, হিজড়াদের জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে জীবিকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সংস্থাটির চতুর্থ কৌশল পরিকল্পনা ২০১৭-২১ উপস্থাপন করা হয়। বলা হয়, এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে জাতীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবায় টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পণা-এসডিজিতে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে। বন্ধু এমন কৌশলগত পরিকল্পনা প্রতি ৫ বছর পর পর নিয়ে থাকে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডাচ্ রাষ্ট্রদূত লিওনি চুয়েলিনারে, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিসসেল ব্লেকেন, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান ফ্রিসেল এবং ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত মিকাইল হেমনিটি।
অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোস্যাইটির চেয়ারপারসন আনিসুল ইসলাম হিরু।
বাংলাদেশ সময়: ০৩২২ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৪, ২০১৭
এসএ/এসএইচ