ওই এলাকায় রয়েছে- আদালত, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন ও প্রেসক্লাব কার্যালয়, পোস্ট অফিস, কেন্দ্রীয় কবরস্থান, ব্যাংক, গ্রন্থাগার, দু'টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি কার্যালয়।
অথচ সেই সড়কটি কিনা অল্প বৃষ্টিতে হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়।
মূলত উঁচু পাহাড় থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানি আর সংকীর্ণ রাস্তার কারণে আদালত সড়ক থেকে কেন্দ্রীয় কবরস্থানের পশ্চিম দিক পর্যন্ত এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শ্রীলা তালুকদার বলেন, ‘এই সড়ক দিয়ে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বৃষ্টিতে যখন পানি জমে যায় তখন তারা বাড়ি যাওয়ার জন্য যানবাহন যেমন পায়না তেমনি এই সড়ক দিয়ে গন্তব্যে যাওয়াটাও কঠিন হয়ে যায়।
এ দুর্ভোগ থেকে বাঁচতে তিনি ড্রেনেজ ব্যবস্থার কথা বলেন তিনি।
খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মুহাম্মদ বলেন, ‘আদালত সড়ক হচ্ছে জেলার গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। আগে হয়তো ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে খুব বেশি গুরুত্ব না দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।
কিন্তু এখন মানুষ বেড়েছে, শহর বড় হয়েছে। সব বিবেচনায় নিয়ে এখন সময় এসেছে সড়কের পাশে ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। ’
খাগড়াছড়ি পৌরসভার প্যানেল মেয়র জাফর আহম্মেদ জানান, এটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। ইতোমধ্যে ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য পৌরসভা কাজ করছে। আশা করি খুব শিগগিরই এর সুফল পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৬ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৪, ২০১৭
এএটি/বিএস