রোববার (০৭ মে) দিবাগত রাত সোয়া একটার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মু. রেজা হাসান সোমবার (০৮ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হচ্ছে, আফজাল হোসেনের তুলি ফার্মেসি, জেম শেখের মিম টেইলার্স, আব্দুস সাত্তারের মুদিদোকান, আব্দুর রাজ্জাক সেন্টুর সারেজান ফার্মেসি ও নজরুল ইসলামের মা ভ্যারাইটি স্টোর।
নাটোর ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ রইস উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে জানান, হরিদাখলসী বাজারের একটি লম্বা ঘরে পাঁচটি দোকান ঘর ছিল। রাতের কোন এক সময় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে এসব দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে রাত সোয়া একটার দিকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি দোকান পুড়লেও দুইটি মুদি দোকানের ক্ষতি বেশি হয়েছে।
তিনি জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এসময় এসব দোকান থেকে অন্তত সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক আব্দুস সাত্তার ও নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি দোকানের অন্তত ১০/১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। প্রতি দোকানে কম হলেও দেড় লাখ এবং সর্বোচ্চ সাড়ে চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৩৫৬ ঘণ্টা, মে ০৮, ২০১৭
আরএ