গ্রেফতারকৃতরা হলেন- পারভীন আক্তার শাহীনুর ওরফে আলপিনা খাতুন, শুভ বণিক, ভানু লাল বণিক, অমিত দেবনাথ, কৃষ্ণ চন্দ্র কর্মকার ও সুজন বণিক।
এসময় তাদের কাছ থেকে ৪৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও ২৫ পিস ডায়মন্ড উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (০৮ মে) দুপুরে ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান কাউন্টার টোরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, রাজধানীর গুলশানের রাশেদুল ইসলামের বাসায় কাজের বুয়া হিসেবে আলপিনা খাতুন কর্মরত ছিলেন। গত ৫ মার্চ দুপুরে ওই বাসা থেকে সে ৬০ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে পালিয়ে যায়।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৪ মে (বৃহস্পতিবার) আলপিনা খাতুনকে নেত্রকোনায় তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার তথ্য অনুযায়ী ১৮ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, এরপর তাকে আদালতের অনুমতিতে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার লাকি বাজার থেকে চোরাই স্বর্ণ কেনার অপরাধে শ্রী দুর্গা শিল্পালয়ের স্বর্ণের দোকানদার শুভ বণিক ও ভানু লাল বণিককে এবং মাতৃ স্বর্ণ শিল্পালয়ের মালিক অমিত দেবনাথকে তিন ভরি গলানো স্বর্ণসহ গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়াও আলপিনা খাতুন ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গুলশানের বাসিন্দা খন্দকার জামিল উদ্দিনের বাসা থেকে ২৭ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার ও ডায়মন্ডের অলংকার চুরি করে পালিয়ে যায়।
সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে তার (আলপিনা খাতুন) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার শ্যামগঞ্জ বাজারের স্বর্ণকার কৃষ্ণ চন্দ্র কর্মকার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার লাকি বাজার থেকে সুজন বণিককে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, পারভীন আক্তার শাহীনুর ওরফে আলপিনা খাতুনের কাছে থেকে তারা চোরাই স্বর্ণ ও ডায়মন্ড কিনেছিলেন।
সুজন বণিকের কাছ থেকে ২৫ পিস ডায়মন্ড উদ্ধার করা হয় বলেও জানান সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম।
বাংলাদেশ সময়: ১৬১০ ঘণ্টা, মে ০৮, ২০১৭
এসজেএ/জেডএস