সোমবার (০৮ মে) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা হয়।
উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আলী খান এনডিসি।
সভায় মোহাম্মদ আলী খান বলেন, আমাদের উচিত ছিল, আরো আগেই সজাগ হওয়া, হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হতো। বাঁধ নির্মাণে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ১৯৭১ সালের পর হাওরাঞ্চলে এতো বড় দুর্যোগ দেখা দেয়নি। হাওরের ফসল নিয়ে জুয়া খেলা বন্ধ করতে হবে।
এদিকে, এই তদন্ত দল সোমবার বাঁধ এলাকা ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেছে। তারা মঙ্গলবারও হাওরে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলবেন। এছাড়া সুনামগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজনের সঙ্গে কথা বলবেন তারা।
তদন্ত দল জানিয়েছে, হাওরবাসী নিজ নিজ বক্তব্য কাগজে লিখে বা ই-মেইলের মাধ্যমে জানাতে পারবেন।
তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব খলিলুর রহমান, যুগ্ম প্রধান (পরিকল্পনা অনুবিভাগ) মন্টু কুমার বিশ্বাস এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুপারেন্টেন্ড চিফ মনিটরিং কাজী তোফায়েল আহমদ।
জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, আইনজীবী, কৃষক প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৮১৩ ঘণ্টা, মে ০৮, ২০১৭
এসআই