সোমবার (০৮ মে) জেলা গোয়েন্দা পুলিশ বিচারিক হাকিম আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেয়।
অভিযোগপত্রে ওই গ্রামের আব্দুর রহিমের (৩৭) বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, বিল মাগুরাটা গ্রামের ক্ষুদে ব্যবসায়ী মো. শহিদুর রহমানের ছেলে জুয়েলের (০৬) মরদেহ ২০১৬ সালের ১৯ নভেম্বর সকালে তাদের নিজ গ্রামের গোরস্থানের পাশে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়। এর আগের রাতে বাড়ির পাশে একটি ওয়াজ মাহফিলে গিয়ে জুয়েল নিখোঁজ হয় । মরদেহ উদ্ধারের পর জুয়েলের মা রোজিনা বেগম বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান ৫ জানুয়ারি জুয়েল হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একই গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহিমকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে রহিম জুয়েল হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ওই দিনই তাকে টাঙ্গাইল বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করা হলে জুয়েল হত্যার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শেখ ছামিদুল ইসলাম তার জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। জবানবন্দিতে রহিম উল্লেখ করেন, জুয়েলের মায়ের সঙ্গে তার পরকিয়া প্রেম চলছিল। তাদের সেই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায় জুয়েল। তাই রহিম জুয়েলকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন। ২০১৬ সালের ১৮ নভেম্বর গ্রামের ওয়াজ মাহফিল থেকে কৌশলে জুয়েলকে তিনি সবার অজান্তে গোরস্থানের পাশে নিয়ে যান। সেখানে জুয়েলকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর করে মরদেহ ফেলে রাখেন।
বাংলাদেশ সময়: ০৪৩৭ ঘণ্টা, মে ০৯ ২০১৭
এমএমএস/এনটি