মঙ্গলবার (৯ মে) ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে হালকা বাতাস ও বৃষ্টিপাত চলছে।
দিনাজপুর জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, ভোর থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে দিনাজপুর সদর উপজেলার ৯নং আশঙ্করপুর ইউনিয়নের কৃষক মো. মমিনুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, হঠাৎ করে চলতি বোরো মৌসুমে ধানের শীষ বের হওয়ার সাথে সাথে নেক ব্লাস্ট রোগ দেখা দেয়। রোগটি দেখা দেওয়ায় রাতারাতি পুড়ছে জমির ফসল। এই ফসল রক্ষার্তে গত কয়েকদিনের টানা ছেটানো বালাই নাশক এই বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে গেল। লোকসান এখন চারদিকে। কী করব কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। অপরদিকে মাসিমপুর এলাকার লিচু চাষি ফিরোজ মিয়া বলেন, লিচুর দানা বড় হতে শুরু করেছে। বাহিরের আবরণ সবুজ থেকে বদলাতে লাগছে। এ সময় বৃষ্টিপাত হলেই লিচুতে পোকার আক্রমণের ভয় থাকে। তাই এই বৃষ্টিপাত শেষ হলে বালাই নাশক ছেটাতে হবে। আর যে কারণে গুনতে হবে অতিরিক্ত খরচা।
দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, এই সময় বৃষ্টিপাত হয়ে মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়ালো। এমনিতেই নেক ব্লাস্ট রোগ ধান ক্ষেতে আক্রমণ করেছে এর মধ্যে আবার বৃষ্টিপাতের মধ্যে কৃষকদের ছেটানো সকল প্রকার বালাই নাশক ঝড়ে পড়ে গেল।
তবে বৃষ্টিপাতের পর পুনরায় বালাই নাশক ছেটাতে হবে তাহলে আর চিন্তা থাকবে না। এজন্য কৃষকদের পরামর্শ দিতে ইতিমধ্যে লিফলেট তৈরি করা হয়েছে। আর লিচুর তেমন ক্ষতি হবে না। এক থেকে দুবার স্প্রে করলেই পোকার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে বলে জানান ওই কৃষি কর্মকর্তা।
বাংলাদেশ সময়: ০৯১৫ ঘন্টা, মে ৯, ২০১৭
এমজেএফ