অভিযুক্ত সাফাত দুই তরুণী ধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি।
তার খোঁজে মঙ্গলবার (৯ মে) বেলা পৌনে ১২টার দিকে বনানী থানার তিন উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) কয়েকজন পুলিশ আপন জুয়েলার্স মালিকের বাসায় প্রবেশ করে।
বনানী থানার এসআই মিল্টন দত্ত বাংলানিউজকে বলেন, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গতকালও এ বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছেলি। আজও সাফাতকে গ্রেফতার করতে এখানে আমরা অভিযান চালিয়েছি। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি।
এসআই আরও বলেন, এ মামলার এজাহারভুক্ত সব আসামির বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে। তাদের গ্রেফতারে সবরকম চেষ্টা চলছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসআই মিল্টন দত্ত বলেন, সাফাতের পাসপোর্ট এখনো জব্দ করা হয়নি। বাসায় তার বাবার সঙ্গে কথা হয়েছে।
গত ২৮ মার্চ বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে আমন্ত্রণ জানিয়ে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শনিবার (৬ মে) রাতে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন- সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, বিল্লাল হোসেন, সাদনান ও সাকিফ।
সাফাত ও নাঈম দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং তারা ওই দুই তরুণীর বন্ধু। জন্মদিনের পার্টিতে দাওয়াত করে হোটেলে নেওয়ার পর সাফাত ও নাঈম হোটেলের একটি কক্ষে নিয়ে রাতভর দুই তরুণীকে আটকে রেখে মারধর এবং হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। আসামিদের অপর তিনজন ধর্ষণে সহায়তা ও ভিডিও ধারণ করে।
বাংলাদেশ সময়: ১৩১২ ঘণ্টা, মে ০৯, ২০১৭
এসজেএ/পিএম/আরআইএস/এসএইচ/জেডএম