বুধবার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের ৪১তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিষয়টি আলোচনা হয়েছে।
এ সভায় নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খানও উপস্থিত ছিলেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, গণপরিবহনে সিটিং সার্ভিস চালু করায় জনদুর্ভোগ ও ভোগান্তি চলছে। এ ব্যাপারে গঠিত কমিটি কাজ করছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। এ প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী আমরা মানুষের ভোগান্তি দূর করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো।
ওবায়দুল কাদের সড়ক মহাসড়ক রক্ষা প্রসঙ্গে বলেন, আমরা সড়ক-মহাসড়ক চার লেন করছি। কিন্তু সড়ক-মহাসড়ক রক্ষা করা যাচ্ছে না। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভয়াবহ পর্যায়ে চলে এসেছে। বছরে মাত্র ৪ মাস শুষ্ক থাকছে, আর বাকী সময় ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এই ভারী বর্ষণের সময় ভারী পরিবহন চললে রাস্তা রক্ষা করা যায় না।
তিনি বলেন, সভায় আঞ্চলিক সড়ক এবং মহাসড়কগুলো রক্ষা করতে পরিবহনের ওভারলোড বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে সড়ক বিভাগের সচিবকে প্রধান করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা, হাইওয়ে পুলিশ, মালিক, শ্রমিক প্রতিনিধি রাখা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে। একটি সভা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ওই কমিটির সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে ওভারলোড বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, সড়ক ও মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, রিকশা, ভটভটি, নছিমন, করিমন বন্ধে আরও তৎপরতা বাড়ানো হবে। এই সব পরিবহনের যন্ত্রাংশ আমদানি বন্ধ করতে সরকার ব্যবস্থা নেবে। এ ব্যাপারে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে, তিনি আশ্বস্থ করেছেন। এগুলো উঠে গেলে মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ভাবা হচ্ছে। বিআরটিসিএ’র বাসসহ বিশেষ বাস সার্ভিস চালু করা যায় কিনা ভাবা হচ্ছে।
**‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের বিষয়টির অগ্রগতি হচ্ছে’
বাংলাদেশ সময়: ১৬২০ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৫, ২০১৭
এসকে/এসএইচ