রোববার (২৫ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক গোলাম আযম এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন-হরিণাকুন্ডু উপজেলার আদর্শ আন্দুলিয়া গ্রামের আইয়ুব হোসেনের ছেলে নান্নু মিয়া ও গোপিনাথপুর গ্রামের মফিজ মিয়ার ছেলে শাহীন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১২ সালের ১৯ মে জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার সুড়া গ্রামের জাহের আলীর ছেলে কৃষক আব্দুর রশিদকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। ১৯ মে রাতে পাশের আদর্শ আন্দুলিয়া গ্রামের আমিরুল ইসলামের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির চাচা আব্দুল গণি মোল্লা বাদী হয়ে পরদিন অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হরিণাকুন্ডু থানায় মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২২ নভেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে নান্নু ও শাহীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় রোববার দুপুরে এ রায় দেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় মামলার অন্য দুই আসামি মফিজ ও কামাল হোসেনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন বলেন, আব্দুর রশিদকে হত্যার কয়েকদিন আগে থেকে নান্নু ও শাহীন আদর্শ আন্দুলিয়া গ্রামের আমিরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। পরে আমিরুলের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে আব্দুর রশিদের মরদেহ পাওয়ার পর আমিরুলকে ফোন করে টাকা না দিলে তার মরদেহও একই ভাবে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন তারা। আমরা আসামিদের আরও কঠোর শাস্তি আশা করেছিলাম। তারপরও বিজ্ঞ বিচারক যে সাজা দিয়েছেন তাতে আমরা সন্তুষ্ট।
বাংলাদেশ সময়: ১৬২৭ ঘণ্টা, মার্চ ২৫, ২০১৮
এসআই