বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ- দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিশিষ্ট চিকিৎসকদের নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
জাহিদ মালেক বলেন, যে পদক্ষেপগুলো আমরা নিয়েছি সেই প্রক্রিয়াগুলো জোরদার করলে আগামীতে আরও ফল পাবো। আমরা হাসপাতালে নতুন বেড বাড়িয়েছি। প্রয়োজনে শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউট ও শেখ রাসেল ইন্সটিটিউট স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। এই দু’টি হাসপাতাল আমরা রেডি রেখেছি, আজও আমি ভিজিটে যাবো।
তিনি বলেন, প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে মনিটরিং করা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত তথ্য আমাদের কাছে আসছে। সেই অনুযায়ী আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নিচ্ছি। হাসপাতালগুলোতে শুধু চিকিৎসাসেবাই দেওয়া হচ্ছে না, মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।
‘প্রতিটি জেলায় আমরা জেলা সিভিল সার্জনদের জানিয়ে দিয়েছে কীভাবে ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসা দিতে হবে। আমাদের ২৯ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সারা বাংলাদেশ ভিজিট করছেন। তারা প্রতিটি জেলায় যাবেন। ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় একটি বুকলেট করা হয়েছে। এটা সব জেলাসহ প্রাইভেট হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ডেঙ্গুর ওষুধ আনা হচ্ছে। এছাড়া আসছে ঈদুল আজহার সময় সব কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব উদ্যোগের ফলে ডেঙ্গু দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। ’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র এখানে (বৈঠকে) আছেন, ডব্লিউএইচের এক্সপার্ট এসেছেন, মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, বিএমএ ও স্বাচিপের সভাপতি আছেন, হেলথের ডিজি আছেন, আমরা একটি আলোচনা করবো। আলোচনা করে ডেঙ্গু রোধে আরও কী ভালো পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৭ হাজার ১৬৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন, চিকিৎসা শেষ করে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১২ হাজার ২৬৬ জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে ৪৯০৩ জন। ডেঙ্গুর কারণে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৪ ঘণ্টা, আগস্ট ০১, ২০১৯
জিসিজি/এএ