বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) পাঠানো এ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মশক নিধন কর্মীরা সাধারণত পিঠে মশক নিধন ওষুধের সিলিন্ডার বহন করে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন জায়গায় ওষধ প্রয়োগ করেন। এটি একদিকে সময়সাপেক্ষ, অন্যদিকে শ্রমসাধ্যও বটে।
শুরুতে পরীক্ষামূলকভাবে দুই সিটির ১০টি অঞ্চলের প্রতিটিতে একটি করে মোটরবাইক-কাম-মশক নিধনযন্ত্র দেওয়া হয়। প্রতিটি বাইকে দু’জন কর্মী থাকেন। একজন বাইকটি চালান, অন্যজন পিছনে বসে মশার ওষুধ প্রয়োগ করেন। প্রতিটি বাইকের মাধ্যমে ঘণ্টায় প্রায় সোয়া দুই কিলোমিটার ওষুধ প্রয়োগ করা যায়।
বুধবার (৩১ জুলাই) গুলশানে মশক নিধন কার্যক্রম ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এ ধরনের একটি মোটরবাইক দেখে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন বলেও জানায় সংস্থাটি।
এসময় মেয়র বলেন, এতে সময়, শ্রম ও অর্থ সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ধরনের মোটরবাইক কাম মশক নিধন যন্ত্র পর্যায়ক্রমে আরও বাড়ানো হবে। মশক নিধন কার্যক্রমে সম্ভাব্য সব ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। মশক নিধনকর্মীদের জবাবদিহিতা বাড়াতে জিপিএস ট্র্যাকার স্থাপনের কাজটিও প্রায় চূড়ান্ত।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৩১ ঘণ্টা, আগস্ট ০১, ২০১৯
এসএইচএস/এএ