বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের নেতৃত্বে অভিযানে সহকারী পরিচালক আফরোজা রহমান ও আব্দুল জব্বার মণ্ডল অংশ নেন।
এসময় ঢাবির হাকিম চত্বর ও শামসুন্নাহার আবাসিক হল এলাকায় এ তদারকি অভিযান চালানো হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে হাকিম চত্বর ও শামসুন্নাহার হলের আশপাশের বিভিন্ন দোকান, ফুড স্টল এবং ভ্রাম্যমাণ দোকানের পরিবেশ তদারকি করে ভোক্তা অধিকারের দল। একইসঙ্গে কোথাও ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশার প্রজনন সহায়ক পরিবেশ আছে কি-না তাও তদারকি করা হয়। তবে এসময় কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়নি।
এ বিষয়ে মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বাংলানিউজকে বলেন, শামসুন্নাহার হল ছাত্রী সংসদের একজন নেত্রী মোবাইল ফোনে আমাকে একটি অভিযোগ জানায়। তিনি আশঙ্কা করছিলেন যে, হাকিম চত্বর ও হলের আশপাশের কিছু দোকানের পরিবেশ ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশার প্রজননের জন্য সহায়ক। তাই আমরা এসেছি। আমাদের তদারকিতেও এমনটা মনে হয়েছে। তবে কাউকে জরিমানা করিনি। সবার সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সবাইকে সতর্ক করেছি।
তিনি আরও বলেন, দোকানে এমনভাবে ব্যবসা করতে হবে যেন, কোথাও পানি না জমে। হাত মোছার জন্য খবরের কাগজ রাখা যাবে না, প্রয়োজনে টিস্যু পেপার রাখতে হবে। এছাড়াও সব দোকানকে নিজেদের উদ্যোগে ডাস্টবিন রাখার জন্য সাত দিনের সময় দিয়েছি। এরপরও যদি তারা সচেতন না হয়, তখন জরিমানাসহ প্রয়োজনে দোকান সিলগালা করবো। আজ আমরা ঝটিকা অভিযানে এসেছি। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ আসবো।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৩৯ ঘণ্টা, আগস্ট ০১, ২০১৯
এসএইচএস/আরবি/